১১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন বৈষম্য নিরসনে হাইকোর্টের রায়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
  • ৩০৬২ বার পঠিত হয়েছে

আবু সুফিয়ান পারভেজ, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম: দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে অবশেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণের বেতন বৈষম্যের অবসান ঘটলো।

‎ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নিয়োগ বিধি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের ধরন ও পরিধি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো অভিন্ন হলেও এতদিন শুধু বেতনের ক্ষেত্রে ছিলো বৈষম্য। এ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (PSC) একাধিকবার দৌড়াদৌড়ি ও চিঠি চালাচালির পরও কোনো সমাধান আসেনি।

‎পরে ২০১৫ সালে “স্বাস্থ্য বিভাগীয় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম কল্যাণ সমিতি”র পক্ষ থেকে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। একই বছরের ১০ নভেম্বর আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করে।

‎এর ধারাবাহিকতায়, গত সোমবার (২৫ আগস্ট ২০২৫) মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট। আদালতের এ রায় ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী কার্যকর হবে।

‎রায়ে বলা হয়—

‎ইমামগণকে ১১তম গ্রেড থেকে উন্নীত করে ৯ম গ্রেডে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা প্রদান করা হবে।

‎মুয়াজ্জিনগণকে ১৪তম গ্রেড থেকে উন্নীত করে ১১তম গ্রেড প্রদান করা হবে।

‎৩০ নভেম্বর ২০০৬ সালের পর যারা সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তারা যোগদানের তারিখ থেকেই নতুন বেতন স্কেল ও গ্রেড পাওয়ার অধিকারী হবেন।

‎এ রায়ের  মধ্যে দিয়ে ইমাম সাহেবগণের সামাজিক মর্যাদা ও দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্যের অবসান হলো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অভিনেতা থেকে নেতা: থালাপতি বিজয়ের উত্থানে বদলাচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজনীতি

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন বৈষম্য নিরসনে হাইকোর্টের রায়

Update Time : ০৮:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫

আবু সুফিয়ান পারভেজ, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম: দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে অবশেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণের বেতন বৈষম্যের অবসান ঘটলো।

‎ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নিয়োগ বিধি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের ধরন ও পরিধি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো অভিন্ন হলেও এতদিন শুধু বেতনের ক্ষেত্রে ছিলো বৈষম্য। এ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (PSC) একাধিকবার দৌড়াদৌড়ি ও চিঠি চালাচালির পরও কোনো সমাধান আসেনি।

‎পরে ২০১৫ সালে “স্বাস্থ্য বিভাগীয় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম কল্যাণ সমিতি”র পক্ষ থেকে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। একই বছরের ১০ নভেম্বর আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করে।

‎এর ধারাবাহিকতায়, গত সোমবার (২৫ আগস্ট ২০২৫) মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট। আদালতের এ রায় ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী কার্যকর হবে।

‎রায়ে বলা হয়—

‎ইমামগণকে ১১তম গ্রেড থেকে উন্নীত করে ৯ম গ্রেডে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা প্রদান করা হবে।

‎মুয়াজ্জিনগণকে ১৪তম গ্রেড থেকে উন্নীত করে ১১তম গ্রেড প্রদান করা হবে।

‎৩০ নভেম্বর ২০০৬ সালের পর যারা সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তারা যোগদানের তারিখ থেকেই নতুন বেতন স্কেল ও গ্রেড পাওয়ার অধিকারী হবেন।

‎এ রায়ের  মধ্যে দিয়ে ইমাম সাহেবগণের সামাজিক মর্যাদা ও দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্যের অবসান হলো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা ।