০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরের কর্নাই গ্রামে সমবায়ে আউশ ধানে বাম্পার ফলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০২৮ বার পঠিত হয়েছে

মো:মেহেদী হাসান ফুয়াদ
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

দিনাজপুরের কর্নাই গ্রাম, যা একসময় অনাবাদি বেলে মাটির জন্য পরিচিত ছিল, আজ তা সফল কৃষি উদ্যোগের দৃষ্টান্ত। এখানে সমবায় ভিত্তিতে ব্রি ধান-৯৮ জাতের আউশ ধান চাষ করে কৃষকরা অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। মাত্র ১১০ দিনে ঘরে উঠেছে বাম্পার ফলন।

প্রতি একরে ৮৫ থেকে ৯০ মণ ফলন পেয়ে কৃষকরা অত্যন্ত আনন্দিত। বাজারে ধানের ভালো দাম (প্রতি মণ ১১০০-১২০০ টাকা) এবং খড়ের চাহিদা (প্রতি আঁটি ৭০০-৮০০ টাকা) তাদের বাড়তি আয়ের উৎস। কৃষক শাহীন আলম জানান, এই ধান বিক্রি করে আলুর মৌসুমের খরচ মেটাতে পারবেন। আজীম উদ্দীন বলেন, সমবায়ের ফলে উৎপাদন খরচ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কমেছে, যা ফলন বাড়াতে সাহায্য করেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম তুষার জানান, ‘এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না থাকে সরকারের এই নির্দেশনার ভিত্তিতেই কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে একসময় যে জমিতে শুধু রবি শস্য হতো, এখন সেখানে তিন ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। কৃষকরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জামায়াতের মিথ্যাচার জনগণ ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

দিনাজপুরের কর্নাই গ্রামে সমবায়ে আউশ ধানে বাম্পার ফলন

Update Time : ০৪:৫১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মো:মেহেদী হাসান ফুয়াদ
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

দিনাজপুরের কর্নাই গ্রাম, যা একসময় অনাবাদি বেলে মাটির জন্য পরিচিত ছিল, আজ তা সফল কৃষি উদ্যোগের দৃষ্টান্ত। এখানে সমবায় ভিত্তিতে ব্রি ধান-৯৮ জাতের আউশ ধান চাষ করে কৃষকরা অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। মাত্র ১১০ দিনে ঘরে উঠেছে বাম্পার ফলন।

প্রতি একরে ৮৫ থেকে ৯০ মণ ফলন পেয়ে কৃষকরা অত্যন্ত আনন্দিত। বাজারে ধানের ভালো দাম (প্রতি মণ ১১০০-১২০০ টাকা) এবং খড়ের চাহিদা (প্রতি আঁটি ৭০০-৮০০ টাকা) তাদের বাড়তি আয়ের উৎস। কৃষক শাহীন আলম জানান, এই ধান বিক্রি করে আলুর মৌসুমের খরচ মেটাতে পারবেন। আজীম উদ্দীন বলেন, সমবায়ের ফলে উৎপাদন খরচ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কমেছে, যা ফলন বাড়াতে সাহায্য করেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম তুষার জানান, ‘এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না থাকে সরকারের এই নির্দেশনার ভিত্তিতেই কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে একসময় যে জমিতে শুধু রবি শস্য হতো, এখন সেখানে তিন ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। কৃষকরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখছেন।