০৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুরাও জীবন যুদ্ধে, দেখার কেউ নেই

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০২৮ বার পঠিত হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডীতে পেটের দায়ে ঠেলাগাড়িতে ভারী কাঠ বহনের মত জীবন যুদ্ধে নেমে পড়েন শিশুরা। তবে শিশু শ্রম বন্ধের নেই উদ্যোগ।

গতকাল দুপুরে এমনি হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন পথচারীরা । ৮ বা ১২ বছরের শিশুরা পরিবার পরিজনের মুখে হাসি ফুটাতেই নিজের জীবনের দিকে এক মুহুর্তও থাকান নি। যেভাবে হোক না কেন জীবন যুদ্ধে লড়াই করার সংগ্রামে ঢেলে দিচ্ছেন অভিভাবকরা। শিশুশ্রম

শব্দটি বুঝে উঠার আগেই তাদের হাতে উঠলো ঠেলাগাড়ির ডান্ডা। তবে এর জন্য দায়ী কারা? তদন্ত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে বিহীন ব্যবস্থার দাবী সচেতন মহলের।

শিশুরা বন্ধুদের সাথে খেলার মাঠে দৌড়ঝাপের মধ্যে থাকতে পারত, বই-খাতা নিয়ে স্কুলের ক্লাসে ব্যস্ত থাকতে পারত। কিন্তু পেটের দায়ে তারা এখন শ্রম জগতে। তাদের বয়সে বড়জন ঠেলাগাড়ি টানার দায়িত্ব নিয়েছে,অপরজনরা সমান তালে ঠেলছেন। তাদের পারিশ্রমিক মাত্র ৩শত টাকা।

বড়জন বলেন, চৌফলদন্ডীর স্থানীয় স-মিলের মালিক কামালের মিল থেকে পাশ্ববর্তী খামার পাড়া এলাকায় কাঠগুলো বহন করছি। এতে প্রতিজন শিশু তার বিনিময়ে পাচ্ছে ১শত টাকা।

দৃশ্যটি একদিকে যেমন হৃদয়বিদারক, তেমনি সমাজের জন্য চিন্তার বিষয়। শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত করা কেবল তাদের শৈশবকে হারিয়ে দিচ্ছেনা,শিক্ষার সুযোগটাও কেটে দিচ্ছে।

সচেতন মহল মনে করেন, শিশুদের শ্রম থেকে মুক্ত রাখা ও তাদের নিরাপদসহ শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী। স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনসমুহ সক্রিয় পদক্ষেপ নিলে হয়ত এ শিশুরা নতুন রুপেই শিক্ষা জীবন ফিরে পেতো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জামায়াতের মিথ্যাচার জনগণ ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

শিশুরাও জীবন যুদ্ধে, দেখার কেউ নেই

Update Time : ১২:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডীতে পেটের দায়ে ঠেলাগাড়িতে ভারী কাঠ বহনের মত জীবন যুদ্ধে নেমে পড়েন শিশুরা। তবে শিশু শ্রম বন্ধের নেই উদ্যোগ।

গতকাল দুপুরে এমনি হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন পথচারীরা । ৮ বা ১২ বছরের শিশুরা পরিবার পরিজনের মুখে হাসি ফুটাতেই নিজের জীবনের দিকে এক মুহুর্তও থাকান নি। যেভাবে হোক না কেন জীবন যুদ্ধে লড়াই করার সংগ্রামে ঢেলে দিচ্ছেন অভিভাবকরা। শিশুশ্রম

শব্দটি বুঝে উঠার আগেই তাদের হাতে উঠলো ঠেলাগাড়ির ডান্ডা। তবে এর জন্য দায়ী কারা? তদন্ত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে বিহীন ব্যবস্থার দাবী সচেতন মহলের।

শিশুরা বন্ধুদের সাথে খেলার মাঠে দৌড়ঝাপের মধ্যে থাকতে পারত, বই-খাতা নিয়ে স্কুলের ক্লাসে ব্যস্ত থাকতে পারত। কিন্তু পেটের দায়ে তারা এখন শ্রম জগতে। তাদের বয়সে বড়জন ঠেলাগাড়ি টানার দায়িত্ব নিয়েছে,অপরজনরা সমান তালে ঠেলছেন। তাদের পারিশ্রমিক মাত্র ৩শত টাকা।

বড়জন বলেন, চৌফলদন্ডীর স্থানীয় স-মিলের মালিক কামালের মিল থেকে পাশ্ববর্তী খামার পাড়া এলাকায় কাঠগুলো বহন করছি। এতে প্রতিজন শিশু তার বিনিময়ে পাচ্ছে ১শত টাকা।

দৃশ্যটি একদিকে যেমন হৃদয়বিদারক, তেমনি সমাজের জন্য চিন্তার বিষয়। শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত করা কেবল তাদের শৈশবকে হারিয়ে দিচ্ছেনা,শিক্ষার সুযোগটাও কেটে দিচ্ছে।

সচেতন মহল মনে করেন, শিশুদের শ্রম থেকে মুক্ত রাখা ও তাদের নিরাপদসহ শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী। স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনসমুহ সক্রিয় পদক্ষেপ নিলে হয়ত এ শিশুরা নতুন রুপেই শিক্ষা জীবন ফিরে পেতো।