০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৩ দফা দাবিতে বৃহত্তর সুন্নী জোট সিলেট জেলা আয়োজিত জনসভায় নেতৃবৃন্দের অভিমত- 

মোঃ শাহজাহান বাশার
আগামী ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় সংলাপে এবং জুলাই সনদে সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে অংশগ্রহণের সমান সুযোগ দেয়া, দুর্নীতিবাজ কালোর টাকার মালিক ও দণ্ডিতদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা, মাজার মসজিদ খানকায় হামলায় জড়িতদের বিচার, জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী সময়ে সংঘটিত সব হত্যার বিচার করা এবং মবসন্ত্রাস থামানো সহ ১৩দফা দাবিতে গতকাল ১৫ নভেম্বর শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দানে বিশাল জনসভার আয়োজন করে বৃহত্তর সুন্নীজোট সিলেট জেলা।

বৃহত্তর সুন্নী জোট নেতৃবৃন্দ বলেছেন- ছাত্র- জনতার সফল অভ্যুত্থান পরবর্তী একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন জনগণের নিকট অধিকতর প্রত্যাশিত থাকলেও তা নিয়ে নানামাত্রিক তালবাহানা ক্রমাগত জনমনে আস্থার সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি মহল নির্বাচন নিয়ে রকমারি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অথচ এ মূহুর্তে রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই।

বৃহত্তর সুন্নী জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপি চেয়ারম্যান শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী অভিযোগ করেছেন যে দেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। তার দাবি, বিগত সরকারের মতোই নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে পছন্দের ব্যক্তিদের বিভিন্ন পদে নিয়োগের চেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এভাবে প্রহসনমূলক নির্বাচনের আয়োজন করলে দেশের জনগণ তা মেনে নেবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
বিজয়ের মাসে একাত্তরের শহীদদের স্মরণ করে বিএসপি চেয়ারম্যান বলেন, তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র ও লাল–সবুজের পতাকা পেয়েছি। তিনি অভিযোগ করেন, এখন একটি চিহ্নিত মহল বিজয় দিবসকে ‘কালো দিবস’ আখ্যা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, “পৃথিবীর কোন স্বাধীন দেশে এমন উদাহরণ আছে?যেখানে কোনো নাগরিক প্রকাশ্যে বিজয় দিবসকে কালো দিবস বলে?”

বিএসপি চেয়ারম্যান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করে ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ বিষয়ে উদাসীন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র জনগণ কখনোই মেনে নেবে না—এমন সতর্কবার্তাও দেন শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।

জোটের শীর্ষ নেতা ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান পীরে তরিকত আল্লামা ছৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী বলেছেন- দেশে এখনো মব সন্ত্রাস চলমান। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীগুলো এখনো প্রোপারলি ফাংশান করছে না। থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো এখনো উদ্ধার হয়নি। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। নির্বাচনের পূর্বে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা না হলে অতীত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তিই ঘটবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান জননেতা আল্লামা এম এ মতিন বলেছেন- সরকারের মেয়াদ দীর্ঘ ১৬ মাস অতিক্রান্ত হলেও এখনো দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা পায় নি। এ যাবত প্রায় ৪০০ শিল্প- কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আমদানি- রপ্তাপনি শ্লথ হয়ে পড়েছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ অপেক্ষাকৃত হৃাস পেয়েছে। অভিশপ্ত বেকারত্ব বর্ধিষ্ণু। দুর্নীতির পারদও উর্ধ্বমুখী। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কতিপয় রাজনৈতিক দলের এজেণ্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেশ ও জাতিকে ক্রমাগত নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর বলেছেন- সরকার রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের বিষয়সমূহ পাশ কাটিয়ে সংস্কারের নামে নির্দিষ্ট একটি মহলকে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে প্রতিষ্ঠা করছে। সরকারের মেয়াদ দীর্ঘ ১৬ মাস অতিক্রান্ত হলেও অদ্যাবধি দেশের রাজনৈতিক দলসমূহকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আনতে পারে নি। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা স উ ম আবদুস সামাদ বলেছেন-
বিচারকেন্দ্রিক অনিয়ম-দুর্নীতি, যেমন মামলা বাণিজ্য, গ্রেফতার বাণিজ্য, জামিন বাণিজ্য এসবের ক্ষেত্রে পূর্বাবস্থা বহাল রয়েছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধেও সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ছাঁটাইকৃত সাড়ে ৫ হাজার কর্মকর্তার চাকুরীতে পূনর্বহালের দাবি জানান।
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বি এস পির) অতিরিক্ত মহাসচিব মুহাম্মদ আসলাম হোসাইন বলেছেন- সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার টানাপোড়েনে প্রস্তাবিত ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনও কি আরেকটি বিতর্কিত নির্বাচনে পরিণত হচ্ছে? নাকি জাতি আরেকটি সুষ্ঠু নির্বাচন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কেননা ইতোমধ্যে জুলাই সনদের বিশ্বস্ততা নিয়েও অংশীজনদের মধ্যে বিরাট বিভাজন দেখা দিয়েছে।
বৃহত্তর সুন্নী জোট সিলেট জেলার উদ্যোগে অদ্য ১০ ডিসেম্বর’২৫ বুধবার সিলেট সরকারি আলীয়া মাদরাসা ময়দানে
অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলে বলেন। জনসভা প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মাওলানা জালাল উদ্দীন আলকাদেরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান পীরে তরিকত আল্লামা ছৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান জননেতা আল্লামা এম এ মতিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বি এস পি) এর চেয়ারম্যান পীরে তরিকত ড. ছৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী আল মাইজভাণ্ডারী, শায়খুল হাদিস অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর, অধ্যক্ষ আল্লামা স উ ম আবদুস সামাদ, মোহাম্মদ আসলাম হোসাইন। পীরে তরিকত আল্লামা শাহ জালাল আহমদ আখুঞ্জি, পীরজাদা কাজী আশিকুর রহমান হাশেমী, মাওলানা রুহুল আমিন ভূইয়া চাঁদপুরী, জননেতা স ম হামেদ হোসাইন,আল্লামা রফিকুল ইসলাম জাফরী, মো: ইব্রাহিম মিয়া, ঢালি কামরুজ্জামান হারুন,অধ্যক্ষ আল্লামা আলী মোহাম্মদ চৌধুরী,অধ্যাপক মাওলানা শহিদুল ইসলাম,অধ্যাপক সোলাইমান খান রব্বানী, মুফতি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মুরাদ চৌধুরী, অধ্যাপক মাওলানা নুরুল্লাহ রায়হান খান,
মুহাম্মদ নুরুল হক চিশতী, মাওলানা শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ হাসান মাহমুদী, মুহাম্মদ ওলিউর রহমান, মাওলানা হাফেজ কেরামত আলী। বিএসপি কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ আব্দুর রহিম এর পরিচালনায়
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এইচ এম মিসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা আহমদ আলী হেলালি, অধ্যক্ষ গোলাম সরওয়ার, মাওলানা আঃ মুহিত হাসানী, শেখ মাওলানা মোঃ খাইরুল আমিন চৌধুরী, এইচ এম মিসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট, মাওলানা আহমদ আলী হেলালি, অধ্যক্ষ গোলাম সরওয়ার, মাওলানা আঃ মুহিত হাসানী, শেখ মাওলানা মোঃ খাইরুল আমিন চৌধুরী, জাকির হেসেন মুন্সি, সভাপতি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, শেখ মাসুক আহমেদ, মুফতি এম এ মুমিন, মাওলানা শেখ সফিকুল ইসলাম রেজবী, মাওলানা শমসের আলী মুজাদ্দেদী, শাহ আবুল ফজল মোঃ মাসউদ, মহালদার মোঃ সুহেল আহমেদ (ভান্ডারী), মোঃ আলী হোসাইনবার্তা প্রেরক ,মোহাম্মদ ইউসুফ হাসান মাহমুদী ,সদস্য ,জনসভা প্রস্তুতি কমিটি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জামায়াতের মিথ্যাচার জনগণ ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

১৩ দফা দাবিতে বৃহত্তর সুন্নী জোট সিলেট জেলা আয়োজিত জনসভায় নেতৃবৃন্দের অভিমত- 

Update Time : ০৯:৩২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার
আগামী ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় সংলাপে এবং জুলাই সনদে সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে অংশগ্রহণের সমান সুযোগ দেয়া, দুর্নীতিবাজ কালোর টাকার মালিক ও দণ্ডিতদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা, মাজার মসজিদ খানকায় হামলায় জড়িতদের বিচার, জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী সময়ে সংঘটিত সব হত্যার বিচার করা এবং মবসন্ত্রাস থামানো সহ ১৩দফা দাবিতে গতকাল ১৫ নভেম্বর শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দানে বিশাল জনসভার আয়োজন করে বৃহত্তর সুন্নীজোট সিলেট জেলা।

বৃহত্তর সুন্নী জোট নেতৃবৃন্দ বলেছেন- ছাত্র- জনতার সফল অভ্যুত্থান পরবর্তী একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন জনগণের নিকট অধিকতর প্রত্যাশিত থাকলেও তা নিয়ে নানামাত্রিক তালবাহানা ক্রমাগত জনমনে আস্থার সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি মহল নির্বাচন নিয়ে রকমারি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অথচ এ মূহুর্তে রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই।

বৃহত্তর সুন্নী জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপি চেয়ারম্যান শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী অভিযোগ করেছেন যে দেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। তার দাবি, বিগত সরকারের মতোই নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে পছন্দের ব্যক্তিদের বিভিন্ন পদে নিয়োগের চেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এভাবে প্রহসনমূলক নির্বাচনের আয়োজন করলে দেশের জনগণ তা মেনে নেবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
বিজয়ের মাসে একাত্তরের শহীদদের স্মরণ করে বিএসপি চেয়ারম্যান বলেন, তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র ও লাল–সবুজের পতাকা পেয়েছি। তিনি অভিযোগ করেন, এখন একটি চিহ্নিত মহল বিজয় দিবসকে ‘কালো দিবস’ আখ্যা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, “পৃথিবীর কোন স্বাধীন দেশে এমন উদাহরণ আছে?যেখানে কোনো নাগরিক প্রকাশ্যে বিজয় দিবসকে কালো দিবস বলে?”

বিএসপি চেয়ারম্যান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করে ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ বিষয়ে উদাসীন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র জনগণ কখনোই মেনে নেবে না—এমন সতর্কবার্তাও দেন শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।

জোটের শীর্ষ নেতা ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান পীরে তরিকত আল্লামা ছৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী বলেছেন- দেশে এখনো মব সন্ত্রাস চলমান। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীগুলো এখনো প্রোপারলি ফাংশান করছে না। থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো এখনো উদ্ধার হয়নি। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। নির্বাচনের পূর্বে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা না হলে অতীত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তিই ঘটবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান জননেতা আল্লামা এম এ মতিন বলেছেন- সরকারের মেয়াদ দীর্ঘ ১৬ মাস অতিক্রান্ত হলেও এখনো দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা পায় নি। এ যাবত প্রায় ৪০০ শিল্প- কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আমদানি- রপ্তাপনি শ্লথ হয়ে পড়েছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ অপেক্ষাকৃত হৃাস পেয়েছে। অভিশপ্ত বেকারত্ব বর্ধিষ্ণু। দুর্নীতির পারদও উর্ধ্বমুখী। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কতিপয় রাজনৈতিক দলের এজেণ্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেশ ও জাতিকে ক্রমাগত নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর বলেছেন- সরকার রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের বিষয়সমূহ পাশ কাটিয়ে সংস্কারের নামে নির্দিষ্ট একটি মহলকে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে প্রতিষ্ঠা করছে। সরকারের মেয়াদ দীর্ঘ ১৬ মাস অতিক্রান্ত হলেও অদ্যাবধি দেশের রাজনৈতিক দলসমূহকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আনতে পারে নি। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা স উ ম আবদুস সামাদ বলেছেন-
বিচারকেন্দ্রিক অনিয়ম-দুর্নীতি, যেমন মামলা বাণিজ্য, গ্রেফতার বাণিজ্য, জামিন বাণিজ্য এসবের ক্ষেত্রে পূর্বাবস্থা বহাল রয়েছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধেও সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ছাঁটাইকৃত সাড়ে ৫ হাজার কর্মকর্তার চাকুরীতে পূনর্বহালের দাবি জানান।
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বি এস পির) অতিরিক্ত মহাসচিব মুহাম্মদ আসলাম হোসাইন বলেছেন- সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার টানাপোড়েনে প্রস্তাবিত ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনও কি আরেকটি বিতর্কিত নির্বাচনে পরিণত হচ্ছে? নাকি জাতি আরেকটি সুষ্ঠু নির্বাচন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কেননা ইতোমধ্যে জুলাই সনদের বিশ্বস্ততা নিয়েও অংশীজনদের মধ্যে বিরাট বিভাজন দেখা দিয়েছে।
বৃহত্তর সুন্নী জোট সিলেট জেলার উদ্যোগে অদ্য ১০ ডিসেম্বর’২৫ বুধবার সিলেট সরকারি আলীয়া মাদরাসা ময়দানে
অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলে বলেন। জনসভা প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মাওলানা জালাল উদ্দীন আলকাদেরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান পীরে তরিকত আল্লামা ছৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান জননেতা আল্লামা এম এ মতিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বি এস পি) এর চেয়ারম্যান পীরে তরিকত ড. ছৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী আল মাইজভাণ্ডারী, শায়খুল হাদিস অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর, অধ্যক্ষ আল্লামা স উ ম আবদুস সামাদ, মোহাম্মদ আসলাম হোসাইন। পীরে তরিকত আল্লামা শাহ জালাল আহমদ আখুঞ্জি, পীরজাদা কাজী আশিকুর রহমান হাশেমী, মাওলানা রুহুল আমিন ভূইয়া চাঁদপুরী, জননেতা স ম হামেদ হোসাইন,আল্লামা রফিকুল ইসলাম জাফরী, মো: ইব্রাহিম মিয়া, ঢালি কামরুজ্জামান হারুন,অধ্যক্ষ আল্লামা আলী মোহাম্মদ চৌধুরী,অধ্যাপক মাওলানা শহিদুল ইসলাম,অধ্যাপক সোলাইমান খান রব্বানী, মুফতি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মুরাদ চৌধুরী, অধ্যাপক মাওলানা নুরুল্লাহ রায়হান খান,
মুহাম্মদ নুরুল হক চিশতী, মাওলানা শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ হাসান মাহমুদী, মুহাম্মদ ওলিউর রহমান, মাওলানা হাফেজ কেরামত আলী। বিএসপি কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ আব্দুর রহিম এর পরিচালনায়
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এইচ এম মিসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা আহমদ আলী হেলালি, অধ্যক্ষ গোলাম সরওয়ার, মাওলানা আঃ মুহিত হাসানী, শেখ মাওলানা মোঃ খাইরুল আমিন চৌধুরী, এইচ এম মিসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট, মাওলানা আহমদ আলী হেলালি, অধ্যক্ষ গোলাম সরওয়ার, মাওলানা আঃ মুহিত হাসানী, শেখ মাওলানা মোঃ খাইরুল আমিন চৌধুরী, জাকির হেসেন মুন্সি, সভাপতি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, শেখ মাসুক আহমেদ, মুফতি এম এ মুমিন, মাওলানা শেখ সফিকুল ইসলাম রেজবী, মাওলানা শমসের আলী মুজাদ্দেদী, শাহ আবুল ফজল মোঃ মাসউদ, মহালদার মোঃ সুহেল আহমেদ (ভান্ডারী), মোঃ আলী হোসাইনবার্তা প্রেরক ,মোহাম্মদ ইউসুফ হাসান মাহমুদী ,সদস্য ,জনসভা প্রস্তুতি কমিটি