০৮:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব পরিছন্নতা দিবসে কক্সবাজার সৈকতে ব্যতিক্রমী আয়োজন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৪২ বার পঠিত হয়েছে

ঈদগাঁও প্রতিনিধি, কক্সবাজার।

তিন শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ব্যতিক্রমী ‘বিচ ক্লিনআপ ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব করতে সমুদ্র সৈকতে ব্যতিক্রমী এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের মাঝে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস উপলক্ষে
শনিবার (২০শে সেপ্টেম্বর) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ব্র্যাকের যৌথ ভাবে এর আয়োজন করে। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিকাল ৩টা থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়, শেষ হয় বিকাল সাড়ে ৫টায় ।
জাতিসংঘ, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা এতে অংশ নেন। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী, উন্নয়ন কর্মী ও পর্যটকসহ তিন শতাধিক মানুষ গ্লাভস ও বর্জ্যব্যাগ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের প্লাস্টিক বর্জ্য ও আবর্জনা পরিষ্কার করেন।

কার্যক্রমের মধ্যে ছিল সৈকত পরিষ্কার করা, সচেতনতামূলক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আয়োজনটি স্থানীয় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী এবং পর্যটকদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলে।
এতে অতিথি ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের জরুরি সহায়তা প্রকল্পের-প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির, কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আবুল মনজুর, ইউএনডিপির কক্সবাজার সাব অফিসের টেকসই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রজেক্ট ডেভলপমেন্ট স্পেশালিস্ট দিপক কে. সি, ইউনিসেফের ওয়াশ অফিসার সাজেদা বেগম, ইউএনএইচসিআরের ওয়াশ অ্যাসোসিয়েট আব্দুল মাজেদ, ব্র্যাকের মানবিক সংকট ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির উপদেষ্টা সুব্রত কুমার চক্রবর্তী, সংস্থাটির কর্মসূচি প্রধান আব্দুল্লাহ আল রায়হান, ওয়াশ ও দুর্যোগ ঝুঁকি সেক্টরের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর তনয় দেওয়ান, স্ট্রাটেজিক, সাপোর্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশনের লিড জাকির হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির আশা প্রকাশ করে বলেন, মানুষ যেন নিজেরাই স্বপ্রণোদিত হয়ে ’এ ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
অন্য বক্তারা বলেন, এ উদ্যোগ কেবল সৈকত পরিষ্কার করার জন্য নয়, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জামায়াতের মিথ্যাচার জনগণ ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

বিশ্ব পরিছন্নতা দিবসে কক্সবাজার সৈকতে ব্যতিক্রমী আয়োজন

Update Time : ০৭:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঈদগাঁও প্রতিনিধি, কক্সবাজার।

তিন শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ব্যতিক্রমী ‘বিচ ক্লিনআপ ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব করতে সমুদ্র সৈকতে ব্যতিক্রমী এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের মাঝে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস উপলক্ষে
শনিবার (২০শে সেপ্টেম্বর) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ব্র্যাকের যৌথ ভাবে এর আয়োজন করে। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিকাল ৩টা থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়, শেষ হয় বিকাল সাড়ে ৫টায় ।
জাতিসংঘ, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা এতে অংশ নেন। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী, উন্নয়ন কর্মী ও পর্যটকসহ তিন শতাধিক মানুষ গ্লাভস ও বর্জ্যব্যাগ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের প্লাস্টিক বর্জ্য ও আবর্জনা পরিষ্কার করেন।

কার্যক্রমের মধ্যে ছিল সৈকত পরিষ্কার করা, সচেতনতামূলক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আয়োজনটি স্থানীয় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী এবং পর্যটকদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলে।
এতে অতিথি ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের জরুরি সহায়তা প্রকল্পের-প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির, কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আবুল মনজুর, ইউএনডিপির কক্সবাজার সাব অফিসের টেকসই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রজেক্ট ডেভলপমেন্ট স্পেশালিস্ট দিপক কে. সি, ইউনিসেফের ওয়াশ অফিসার সাজেদা বেগম, ইউএনএইচসিআরের ওয়াশ অ্যাসোসিয়েট আব্দুল মাজেদ, ব্র্যাকের মানবিক সংকট ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির উপদেষ্টা সুব্রত কুমার চক্রবর্তী, সংস্থাটির কর্মসূচি প্রধান আব্দুল্লাহ আল রায়হান, ওয়াশ ও দুর্যোগ ঝুঁকি সেক্টরের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর তনয় দেওয়ান, স্ট্রাটেজিক, সাপোর্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশনের লিড জাকির হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির আশা প্রকাশ করে বলেন, মানুষ যেন নিজেরাই স্বপ্রণোদিত হয়ে ’এ ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
অন্য বক্তারা বলেন, এ উদ্যোগ কেবল সৈকত পরিষ্কার করার জন্য নয়, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।