০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জসিম–মিজান সমন্বয়: তৃণমূলে সৃষ্টি করছে নতুন উদ্দীপনা

বিএনপির তৃণমূলের পছন্দ মিজানুর রহমান

মাঠে নেমেই শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন মিজান চেয়ারম্যান

মোঃ শাহজাহান বাশার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং–ব্রাহ্মণপাড়া) নির্বাচনী এলাকায় উত্তেজনা প্রতিদিনই বাড়ছে। দুই উপজেলার গ্রাম থেকে শহর—সবখানে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ, উঠানসভা, সামাজিক যোগাযোগ—সব মিলিয়ে আকাশে লেগেছে ভোটের আমেজ। আর এই আলোচনার শীর্ষে রয়েছে একটি নাম—বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান।

মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে নিজস্ব নির্বাচনী কার্যক্রম জোরদার করেছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, আলোচনা ও সংগঠনমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে,
তিনি চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী, এবং মনোনয়ন ঘোষণার অপেক্ষায় পুরোপুরি মাঠে তৎপর রয়েছেন।

সূত্র আরও জানিয়েছে, প্রাথমিক মনোনয়ন না পেলেও তিনি হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না; বরং নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে দলের স্বার্থে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন।

দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া হাজী জসিম উদ্দিনের বিষয়েও মিজান চেয়ারম্যান ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা-সমাবেশে একাধিকবার বলেছেন—

“দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, আমরা সবাই তাকে নিয়ে মাঠে নামব। ধানের শীষকে বিজয়ী করা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।”

এই বার্তা তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ঐক্য ও উচ্ছ্বাস আরও বাড়িয়েছে।

এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নিজস্ব জনসম্পৃক্তি গড়ে তোলায় ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরীও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। পাশাপাশি এবি পার্টি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও মাঠে কাজ করছেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে—“সাংগঠনিক নেতৃত্ব, মাঠের কর্মতৎপরতা, জনপ্রিয়তা এবং দীর্ঘ দিনের সংগ্রাম—সব দিক থেকেই মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান এখন কুমিল্লা-৫ আসনে বিএনপির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী।”

মিজান চেয়ারম্যানের নির্বাচনী প্রচারাভিযানের বিশেষ দিক হলো—তিনি ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার প্রচারণা কার্যক্রমে রয়েছে—ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে লিফলেট ও প্রচারসামগ্রী বিতরণ,মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে আলাপ ,বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ,দরিদ্র, অসহায় ও সাধারণ মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়া ,নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বৈঠক

এসব কার্যক্রমে স্পষ্ট—তিনি কেবল নিজের প্রার্থিতা নয়, পুরো দলের ঐক্য ও শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছেন।

স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে—

যদি জসিম–মিজান সমঝোতা বজায় থাকে এবং চূড়ান্ত মনোনয়ন মিজানুর রহমান পান, তবে কুমিল্লা-৫ আসনটি বিএনপির জন্য জয়ে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।

তারা আরও বলেন—“মিজান চেয়ারম্যানের দৃঢ় মনোভাব, জনসংযোগের শক্তি, স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা—সব মিলিয়ে তাকে এ আসনের সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী করে তুলেছে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জামায়াতের মিথ্যাচার জনগণ ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

জসিম–মিজান সমন্বয়: তৃণমূলে সৃষ্টি করছে নতুন উদ্দীপনা

বিএনপির তৃণমূলের পছন্দ মিজানুর রহমান

Update Time : ১২:৪১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং–ব্রাহ্মণপাড়া) নির্বাচনী এলাকায় উত্তেজনা প্রতিদিনই বাড়ছে। দুই উপজেলার গ্রাম থেকে শহর—সবখানে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগ, উঠানসভা, সামাজিক যোগাযোগ—সব মিলিয়ে আকাশে লেগেছে ভোটের আমেজ। আর এই আলোচনার শীর্ষে রয়েছে একটি নাম—বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান।

মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে নিজস্ব নির্বাচনী কার্যক্রম জোরদার করেছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, আলোচনা ও সংগঠনমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে,
তিনি চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী, এবং মনোনয়ন ঘোষণার অপেক্ষায় পুরোপুরি মাঠে তৎপর রয়েছেন।

সূত্র আরও জানিয়েছে, প্রাথমিক মনোনয়ন না পেলেও তিনি হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না; বরং নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে দলের স্বার্থে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন।

দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া হাজী জসিম উদ্দিনের বিষয়েও মিজান চেয়ারম্যান ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা-সমাবেশে একাধিকবার বলেছেন—

“দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে, আমরা সবাই তাকে নিয়ে মাঠে নামব। ধানের শীষকে বিজয়ী করা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।”

এই বার্তা তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ঐক্য ও উচ্ছ্বাস আরও বাড়িয়েছে।

এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নিজস্ব জনসম্পৃক্তি গড়ে তোলায় ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরীও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। পাশাপাশি এবি পার্টি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও মাঠে কাজ করছেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে—“সাংগঠনিক নেতৃত্ব, মাঠের কর্মতৎপরতা, জনপ্রিয়তা এবং দীর্ঘ দিনের সংগ্রাম—সব দিক থেকেই মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান এখন কুমিল্লা-৫ আসনে বিএনপির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী।”

মিজান চেয়ারম্যানের নির্বাচনী প্রচারাভিযানের বিশেষ দিক হলো—তিনি ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার প্রচারণা কার্যক্রমে রয়েছে—ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে লিফলেট ও প্রচারসামগ্রী বিতরণ,মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে আলাপ ,বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ,দরিদ্র, অসহায় ও সাধারণ মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়া ,নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বৈঠক

এসব কার্যক্রমে স্পষ্ট—তিনি কেবল নিজের প্রার্থিতা নয়, পুরো দলের ঐক্য ও শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছেন।

স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে—

যদি জসিম–মিজান সমঝোতা বজায় থাকে এবং চূড়ান্ত মনোনয়ন মিজানুর রহমান পান, তবে কুমিল্লা-৫ আসনটি বিএনপির জন্য জয়ে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।

তারা আরও বলেন—“মিজান চেয়ারম্যানের দৃঢ় মনোভাব, জনসংযোগের শক্তি, স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা—সব মিলিয়ে তাকে এ আসনের সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী করে তুলেছে।”