
মোঃ শাহজাহান বাশার
স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার মাটি থেকে উঠে আসা এক অদম্য সংগ্রামী নাম আতিকুর রহমান রুমন। দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্থান-পতন, প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে তিনি আজ পৌঁছেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। সততা, মেধা, ত্যাগ ও পরীক্ষিত বিশ্বস্ততার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি অর্জন করেছেন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। ১৯৯৭ সালে রাজধানীর কাওরানবাজারে অবস্থিত দৈনিক দিনকাল অফিস থেকে তাঁর কর্মজীবনের যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই তিনি সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেকে নিবেদিত রাখেন এবং ধাপে ধাপে দক্ষতা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়ে অর্জন করেন আস্থার জায়গা।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১/১১-পরবর্তী সময় ছিল অত্যন্ত সংকটপূর্ণ। সেই সময়ে যখন জিয়া পরিবার নানা চাপে বিপর্যস্ত, তখন তারেক রহমান-এর পাশে থেকে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন রুমন। ভয়-ভীতি, হুমকি ও নানা প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে তিনি যে অটল অবস্থান নিয়েছিলেন, তা রাজনৈতিক ও সাংবাদিক মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। তাঁর এই ভূমিকা তাঁকে একজন পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নিরলস শ্রম, নিঃশর্ত আনুগত্য ও অদম্য সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ‘প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বশীল এই পদে থেকে তিনি সরকারের নীতি, কার্যক্রম ও অগ্রগতির বার্তা জনগণের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি দেশের প্রখ্যাত পত্রিকা দৈনিক দিনকাল-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের প্রসারে তাঁর এই নতুন পথচলা সংবাদ জগতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
রাজনৈতিক ও সাংবাদিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বগুণের সমন্বয়ে আতিকুর রহমান রুমনের এই অগ্রযাত্রা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা বিশ্বাস করেন, তিনি তাঁর মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে নেতৃত্বের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবেন এবং দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে সর্বদা নিবেদিত রাখবেন। তাঁর এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত; আগামী দিনগুলো আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক—এই প্রত্যাশা সকলের।






















