০১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকায় সেনাবাহিনীর কড়া বার্তা: যৌথ অভিযানে ৪ অপরাধী গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ৩০৬৭ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ শাহজাহান বাশার

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মহানগরীর মুগদা থানাধীন দক্ষিণ মান্ডা ও কদমতলী এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত পৃথক দুটি যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্যসহ চারজন চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত এসব অভিযান সাধারণ মানুষের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয় বলে জানানো হয়েছে।

সেনা সূত্রে জানা যায়, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রবিবার) গভীর রাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুগদা থানাধীন দক্ষিণ মান্ডার বালুর মাঠ এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আনোয়ারুল (৪০) ও মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (৩০) নামের দুইজনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেহ ও আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়—১টি পিস্তল,৩ রাউন্ড তাজা গুলি,বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত একাধিক দেশীয় ধারালো অস্ত্র

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন জুরাইন মেডিকেল রোড এলাকায় পৃথক আরেকটি অভিযানে যৌথ বাহিনী ইউনুছ রহমান জনি (৩৯) ও মোহন আহমেদ জনি (৪১) নামের দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে।

তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়—২টি বিদেশি পিস্তল.৩টি ম্যাগাজিন,৩০ রাউন্ড তাজা পিস্তলের গুলি,২টি ডামি পিস্তল,১টি স্টান গান,বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র

উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র দিয়ে তারা বড় ধরনের অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীসহ সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে।

একইসঙ্গে, যেকোনো সন্দেহজনক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সেনাবাহিনী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জামায়াতের মিথ্যাচার জনগণ ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকায় সেনাবাহিনীর কড়া বার্তা: যৌথ অভিযানে ৪ অপরাধী গ্রেপ্তার

Update Time : ০৯:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মহানগরীর মুগদা থানাধীন দক্ষিণ মান্ডা ও কদমতলী এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত পৃথক দুটি যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্যসহ চারজন চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত এসব অভিযান সাধারণ মানুষের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয় বলে জানানো হয়েছে।

সেনা সূত্রে জানা যায়, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রবিবার) গভীর রাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুগদা থানাধীন দক্ষিণ মান্ডার বালুর মাঠ এলাকায় যৌথ বাহিনীর একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আনোয়ারুল (৪০) ও মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (৩০) নামের দুইজনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেহ ও আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়—১টি পিস্তল,৩ রাউন্ড তাজা গুলি,বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত একাধিক দেশীয় ধারালো অস্ত্র

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন জুরাইন মেডিকেল রোড এলাকায় পৃথক আরেকটি অভিযানে যৌথ বাহিনী ইউনুছ রহমান জনি (৩৯) ও মোহন আহমেদ জনি (৪১) নামের দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে।

তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়—২টি বিদেশি পিস্তল.৩টি ম্যাগাজিন,৩০ রাউন্ড তাজা পিস্তলের গুলি,২টি ডামি পিস্তল,১টি স্টান গান,বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র

উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র দিয়ে তারা বড় ধরনের অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীসহ সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে।

একইসঙ্গে, যেকোনো সন্দেহজনক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সেনাবাহিনী।