০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি চিনকল সম্পর্কে ধারনা।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০২১ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ মিনারুল ইসলাম, চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি: দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ নাগরিক রবার্ট রাসেল কেরু এন্ড কোম্পানি নামে শিল্প প্রতিষ্ঠান চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় প্রতিষ্ঠা করেন।

দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি মূলত চিনি এবং ডিস্টিলারি পণ্য তৈরির উদ্দেশ্যে এই কারখানা স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমানে, এটি চিনি কল, ডিস্টিলারি এবং একটি বাণিজ্যিক খামার নিয়ে একটি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান ।

আজ বৃহস্পতিবার ০৪ ( সেপ্টেম্বর ) ২০২৫ ইং আমরা জানবো বাংলাদেশ কেরু এন্ড কোম্পানির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, ও এর প্রতিষ্ঠা
১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ আমলে রবার্ট রাসেল কেরু দর্শনায় এই কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন।

এর উদ্দেশ্য: প্রাথমিকভাবে দৈনিক ১০০০ টন আখ মাড়াই এবং ১৮০০০ প্রুফ লিটার স্পিরিট উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে এটি যাত্রা শুরু করে।

এর অবস্থান: তৎকালীন নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত দর্শনায় (বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা) জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় দর্শনাই এই কারখানা অবস্থিত।

স্বাধীনতা-পরবর্তী: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এটি বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

আধুনিকীকরণ: ১৯৭৮ সালে চিনিকলের যন্ত্রপাতি পুরনো হয়ে গেলে, বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া সুগার ইন্ডাস্ট্রি প্রজেক্টের অধীনে ৩১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এর আধুনিকীকরণ করা হয়।

এর সম্প্রসারণ আধুনিকীকরণের ফলে উৎপাদন ক্ষমতা ১১৫০ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়।

বর্তমান কার্যক্রম: বর্তমানে, কেরু এন্ড কোম্পানি একটি বৃহৎ শিল্প কমপ্লেক্স, যেখানে চিনি কল, ডিস্টিলারি, ঔষধ কারখানা এবং ৩৩৪৬ একর বিস্তৃত একটি কৃষি খামার রয়েছে।

এর অন্যান্য কার্যক্রম:
এই কোম্পানি হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং জৈব সারও তৈরি করে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি শুধুমাত্র চিনি এবং ডিস্টিলারি পণ্যের জন্যই পরিচিত নয়, বরং এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান যা বিভিন্ন ধরণের পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করে আসছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মেট্রোঃ ডিবি’র অভিযানে অনলাইনে জুয়া খেলার অপরাধে গ্রেফতার-৪

দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি চিনকল সম্পর্কে ধারনা।

Update Time : ০৩:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোঃ মিনারুল ইসলাম, চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি: দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ নাগরিক রবার্ট রাসেল কেরু এন্ড কোম্পানি নামে শিল্প প্রতিষ্ঠান চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় প্রতিষ্ঠা করেন।

দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি মূলত চিনি এবং ডিস্টিলারি পণ্য তৈরির উদ্দেশ্যে এই কারখানা স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমানে, এটি চিনি কল, ডিস্টিলারি এবং একটি বাণিজ্যিক খামার নিয়ে একটি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান ।

আজ বৃহস্পতিবার ০৪ ( সেপ্টেম্বর ) ২০২৫ ইং আমরা জানবো বাংলাদেশ কেরু এন্ড কোম্পানির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, ও এর প্রতিষ্ঠা
১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ আমলে রবার্ট রাসেল কেরু দর্শনায় এই কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন।

এর উদ্দেশ্য: প্রাথমিকভাবে দৈনিক ১০০০ টন আখ মাড়াই এবং ১৮০০০ প্রুফ লিটার স্পিরিট উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে এটি যাত্রা শুরু করে।

এর অবস্থান: তৎকালীন নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত দর্শনায় (বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা) জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় দর্শনাই এই কারখানা অবস্থিত।

স্বাধীনতা-পরবর্তী: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এটি বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

আধুনিকীকরণ: ১৯৭৮ সালে চিনিকলের যন্ত্রপাতি পুরনো হয়ে গেলে, বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া সুগার ইন্ডাস্ট্রি প্রজেক্টের অধীনে ৩১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এর আধুনিকীকরণ করা হয়।

এর সম্প্রসারণ আধুনিকীকরণের ফলে উৎপাদন ক্ষমতা ১১৫০ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়।

বর্তমান কার্যক্রম: বর্তমানে, কেরু এন্ড কোম্পানি একটি বৃহৎ শিল্প কমপ্লেক্স, যেখানে চিনি কল, ডিস্টিলারি, ঔষধ কারখানা এবং ৩৩৪৬ একর বিস্তৃত একটি কৃষি খামার রয়েছে।

এর অন্যান্য কার্যক্রম:
এই কোম্পানি হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং জৈব সারও তৈরি করে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দর্শনা কেরু এন্ড কোম্পানি শুধুমাত্র চিনি এবং ডিস্টিলারি পণ্যের জন্যই পরিচিত নয়, বরং এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান যা বিভিন্ন ধরণের পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করে আসছে।