০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরের সীমান্তে বাড়ছে শীত-কুয়াশার দাপট, ভূরুঙ্গামারীতে তাপমাত্রা নেমে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

এইচ এম নুরুন্নবী হুসাইন, স্ট্যাফ রিপোর্টারঃ উত্তরের সীমান্ত উপজেলা ভূরুঙ্গামারীতে ক্রমেই বাড়ছে শীত ও কুয়াশার দাপট। নভেম্বরের শেষ নাগাদই তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ভোর থেকে বইছে হিমেল হাওয়া, সঙ্গে বাড়ছে কুয়াশার ঘনত্ব। বিশেষ করে ভোরের শুরু থেকে রাতের শেষভাগে শীতের তীব্রতা এখন স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ভোর ৬টায় ভূরুঙ্গামারীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানায়, বর্তমান আবহাওয়ার প্রবণতা অনুযায়ী আগামী কয়েকদিনে শীত ও কুয়াশা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

ভূরুঙ্গামারীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে—
ফসলি জমি ও ঘাসের পাতায় জমে আছে শিশিরবিন্দু। দিনের রোদ সামান্য উষ্ণতা দিলেও সন্ধ্যার পর থেকেই বাড়ছে শীতের প্রভাব। মধ্যরাতের পর হিমেল হাওয়া আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রিকশাচালক মোঃ রাজ্জাক আলী বলেন,
“ভোরে গাড়ি নিয়ে বের হলে হাত-পা ঠাণ্ডায় অবশ হয়ে আসে। কুয়াশা এতটাই বেশি থাকে যে লাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় চলতে হচ্ছে।”

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ তারেক ইসলাম বলেন,
“সকালে হাঁটতে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। কুয়াশাও অনেক বেড়েছে। প্রতিবছরই শীত একটু আগেভাগে আসে—এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।”

রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন,
“আজ ভোরে ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। প্রতিদিনই ঘন কুয়াশা পড়ছে। সামনে শীত আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

শীতের আগমনে ভূরুঙ্গামারীর মানুষজন এখন থেকেই শীতবস্ত্রের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কৃষিজমিতে শিশির পড়া ফসলের জন্য উপকারী হলেও ঘন কুয়াশায় ভোরের যাতায়াতে ভোগান্তিও বাড়ছে। পাশাপাশি, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের কষ্টও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অভিনেতা থেকে নেতা: থালাপতি বিজয়ের উত্থানে বদলাচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজনীতি

উত্তরের সীমান্তে বাড়ছে শীত-কুয়াশার দাপট, ভূরুঙ্গামারীতে তাপমাত্রা নেমে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

Update Time : ১২:৩৮:১২ অপরাহ্ন, রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

এইচ এম নুরুন্নবী হুসাইন, স্ট্যাফ রিপোর্টারঃ উত্তরের সীমান্ত উপজেলা ভূরুঙ্গামারীতে ক্রমেই বাড়ছে শীত ও কুয়াশার দাপট। নভেম্বরের শেষ নাগাদই তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ভোর থেকে বইছে হিমেল হাওয়া, সঙ্গে বাড়ছে কুয়াশার ঘনত্ব। বিশেষ করে ভোরের শুরু থেকে রাতের শেষভাগে শীতের তীব্রতা এখন স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ভোর ৬টায় ভূরুঙ্গামারীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানায়, বর্তমান আবহাওয়ার প্রবণতা অনুযায়ী আগামী কয়েকদিনে শীত ও কুয়াশা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

ভূরুঙ্গামারীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে—
ফসলি জমি ও ঘাসের পাতায় জমে আছে শিশিরবিন্দু। দিনের রোদ সামান্য উষ্ণতা দিলেও সন্ধ্যার পর থেকেই বাড়ছে শীতের প্রভাব। মধ্যরাতের পর হিমেল হাওয়া আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রিকশাচালক মোঃ রাজ্জাক আলী বলেন,
“ভোরে গাড়ি নিয়ে বের হলে হাত-পা ঠাণ্ডায় অবশ হয়ে আসে। কুয়াশা এতটাই বেশি থাকে যে লাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় চলতে হচ্ছে।”

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ তারেক ইসলাম বলেন,
“সকালে হাঁটতে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। কুয়াশাও অনেক বেড়েছে। প্রতিবছরই শীত একটু আগেভাগে আসে—এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।”

রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন,
“আজ ভোরে ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। প্রতিদিনই ঘন কুয়াশা পড়ছে। সামনে শীত আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

শীতের আগমনে ভূরুঙ্গামারীর মানুষজন এখন থেকেই শীতবস্ত্রের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কৃষিজমিতে শিশির পড়া ফসলের জন্য উপকারী হলেও ঘন কুয়াশায় ভোরের যাতায়াতে ভোগান্তিও বাড়ছে। পাশাপাশি, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের কষ্টও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।