০৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গ্রেফতার ইউনিয়ন যুবদল নেতা মেহেদী হাসান মুকুল।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০২৪ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ মাইনুদ্দিন শিকদার
বিশেষ প্রতিনিধি।

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ মেহেদী হাসান মুকুল এর বিরুদ্ধে দিলীপ নামে এক হিন্দু পরিবারের বিরুদ্ধে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি ও বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে । সংবাদটি গলাচিপা বার্তা নামক একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনার সত্যতা যাচাই বাছাই না করে এক কেন্দ্রীয় নেতার অনুমতিতে কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ঐ ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ মেহেদী হাসান মুকুলকে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এ বহিস্কার পত্রে।

তবে ঐ ইউনিয়ন যুবদলের নেতা বলেন আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। আমি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমি গনমাধ্যমে কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনারা ঘটনা স্থলে গিয়ে আসল সত্যটা উপস্থাপন করেন।

তবে ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখা যায় সম্পূর্ণ ঘটনা একটি সাজানো নাটক ঐ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ কারী দিলীপের বাড়িতে গিয়ে দিলীপের স্বজন ও অন্যান্য ব্যাক্তিদের কাছ থেকে শোনা যায় ঐ যুবদল নেতা তাদের বাড়িতেই যাননি। তবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

তবে ঐ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছ থেকে শুনতে পারি এই মেহেদী হাসান মুকুল সবসময় তাদের পাশে ছিলেন তিনি যতটুকু সম্ভব তাদের উপকার করেছেন কখনো ক্ষতি করেননি। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বলেন আমরা আশাবাদী তিনি সঠিক বিচার পাবেন তিনি সম্পূর্ণ রূপে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন।

কে এই যুবদল নেতা মোঃ মেহেদী হাসান মুকুল । গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড মাঝগ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কালাম প্যাদার সন্তান। ছোট বেলা থেকেই (বি এন পির) রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। দলের সকল প্রকার কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন।

বিগত আওয়ামী শাসনামলে স্বপরিবারে হামলার শিকার হয়েছেন, মামলা হয়েছে ২১ টি ,জেল খেটেছেন। তার চিকনিকান্দি বাজারের দোকান ঘর দখল করেছে ,বাজারের ইজারা জোর করে আদায় ও পানের বরজ দখল করেছেন তত্কালীন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।বাড়ি থেকে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য করেছেন এ যুবদল নেতাকে। তখন তিনি নিজ এলাকা ছেড়ে আশ্রয় নেন তখনকার বি এন পি নেতা সাবেক এমপি শহীদ আলহাজ্ব শাহজাহান খানের কাছে পটুয়াখালী আদালত পাড়ায়। সেখানে থেকে তিনি শাহজাহান খানের সহযোগিতায় মুদি দোকানের ব্যবসা করতেন। পাশাপাশি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। মেহেদী হাসান মুকুল বলেন আমি শাহজাহান খানের গ্রুপে রাজনীতি করতাম তিনি মারা যাওয়ার পর তার সুযোগ্য সন্তান জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিপলু খানের পক্ষে কাজ করি বলেই বি এন পির একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে আমার সম্মানহানি করেছেন।তবে এ যুবদল নেতা বলেন আমি আওয়ামী লীগের আমলে নির্যাতনের শিকার এখন আবার দলীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। দল কোন কিছুই যাচাই বাছাই না করে একটি পক্ষের কথামতো আমার বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমি মনে করি আমার সাথে সম্পূর্ণ ভাবে অন্যায় করা হয়েছে। আমি আশা করি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমি সম্পূর্ণ সঠিক বিচার পাবো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

আরপিএমপি’র অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ গ্রেফতার-২

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গ্রেফতার ইউনিয়ন যুবদল নেতা মেহেদী হাসান মুকুল।

Update Time : ০২:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

মোঃ মাইনুদ্দিন শিকদার
বিশেষ প্রতিনিধি।

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ মেহেদী হাসান মুকুল এর বিরুদ্ধে দিলীপ নামে এক হিন্দু পরিবারের বিরুদ্ধে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি ও বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে । সংবাদটি গলাচিপা বার্তা নামক একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনার সত্যতা যাচাই বাছাই না করে এক কেন্দ্রীয় নেতার অনুমতিতে কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ঐ ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ মেহেদী হাসান মুকুলকে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এ বহিস্কার পত্রে।

তবে ঐ ইউনিয়ন যুবদলের নেতা বলেন আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। আমি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমি গনমাধ্যমে কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনারা ঘটনা স্থলে গিয়ে আসল সত্যটা উপস্থাপন করেন।

তবে ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখা যায় সম্পূর্ণ ঘটনা একটি সাজানো নাটক ঐ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ কারী দিলীপের বাড়িতে গিয়ে দিলীপের স্বজন ও অন্যান্য ব্যাক্তিদের কাছ থেকে শোনা যায় ঐ যুবদল নেতা তাদের বাড়িতেই যাননি। তবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

তবে ঐ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছ থেকে শুনতে পারি এই মেহেদী হাসান মুকুল সবসময় তাদের পাশে ছিলেন তিনি যতটুকু সম্ভব তাদের উপকার করেছেন কখনো ক্ষতি করেননি। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বলেন আমরা আশাবাদী তিনি সঠিক বিচার পাবেন তিনি সম্পূর্ণ রূপে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন।

কে এই যুবদল নেতা মোঃ মেহেদী হাসান মুকুল । গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড মাঝগ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কালাম প্যাদার সন্তান। ছোট বেলা থেকেই (বি এন পির) রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। দলের সকল প্রকার কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন।

বিগত আওয়ামী শাসনামলে স্বপরিবারে হামলার শিকার হয়েছেন, মামলা হয়েছে ২১ টি ,জেল খেটেছেন। তার চিকনিকান্দি বাজারের দোকান ঘর দখল করেছে ,বাজারের ইজারা জোর করে আদায় ও পানের বরজ দখল করেছেন তত্কালীন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।বাড়ি থেকে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য করেছেন এ যুবদল নেতাকে। তখন তিনি নিজ এলাকা ছেড়ে আশ্রয় নেন তখনকার বি এন পি নেতা সাবেক এমপি শহীদ আলহাজ্ব শাহজাহান খানের কাছে পটুয়াখালী আদালত পাড়ায়। সেখানে থেকে তিনি শাহজাহান খানের সহযোগিতায় মুদি দোকানের ব্যবসা করতেন। পাশাপাশি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। মেহেদী হাসান মুকুল বলেন আমি শাহজাহান খানের গ্রুপে রাজনীতি করতাম তিনি মারা যাওয়ার পর তার সুযোগ্য সন্তান জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিপলু খানের পক্ষে কাজ করি বলেই বি এন পির একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে আমার সম্মানহানি করেছেন।তবে এ যুবদল নেতা বলেন আমি আওয়ামী লীগের আমলে নির্যাতনের শিকার এখন আবার দলীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। দল কোন কিছুই যাচাই বাছাই না করে একটি পক্ষের কথামতো আমার বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমি মনে করি আমার সাথে সম্পূর্ণ ভাবে অন্যায় করা হয়েছে। আমি আশা করি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমি সম্পূর্ণ সঠিক বিচার পাবো।