
১৯ অক্টোবর ২৫, রুহী বিশেষ প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম: আমি স্তব্ধ, বাকরুদ্ধ। কোনভাবেই মেনে নিতে পারছি না। যাচাই করে দেখেছি ঘটনা সম্পুর্ন সত্যি। প্রিয় দুর্গাপুরবাসী, আমি আপনাদের সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি—এই চরম অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনারা গর্জে উঠুন!
সুসং দুর্গাপুরের সুতিয়াপাড়া গ্রামের মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল্লাহ সাহেব। তিনি তাঁর বৈধ স্ত্রীকে নিয়ে মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় এলাকার তিনবারের মেম্বার, যিনি একজন পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা, আরও একজন বিএনপি-সমর্থক ব্যক্তি এবং তাঁদের সঙ্গে আরও একজন—এই তিনজন মিলে গাঁজা সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে মোটরসাইকেল রাখার অজুহাত দেখায়।
পরে রাত দুইটার দিকে হুজুরের কক্ষে গিয়ে ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। কেন এই টাকা দাবি করা হলো, সে বিষয়ে হুজুর নিজেও কিছু জানেন না।
অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয়। এমনকি তাঁর স্ত্রীর পর্দা সরিয়ে মুখ দেখতে বাধ্য করা হয়, চেহারা দেখে ভিডিও ধারণ করে এবং স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এই ভিডিওটি আমার কাছেও সংরক্ষিত আছে।
সারারাত নির্যাতনের পর ফজরের নামাজ আদায় করতেও দেওয়া হয়নি। পরদিন বিষয়টি এলাকায় জানানো হলেও কেউ বিচার করেনি।
আজ পর্যন্ত অনেক মুরুব্বি আলেমদের দ্বারে দ্বারে গিয়েও কেবল আশ্বাস ছাড়া কেউ এগিয়ে আসেনি।
হায়, দুর্গাপুরের আলেম সমাজের ভাইয়েরা! আমরা, আপনারা আল্লাহর কাছে কী জবাব দেবো?
©নেত্রকোনা৷



















