
কক্সবাজার প্রতিনিধি: সরকার নিবন্ধিত ‘জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’-র ঈদগাঁও উপজেলা কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।
২০ অক্টোবর মঙ্গলবার সংগঠনটির জেলা কমিটির তিন জনের যৌথ স্বাক্ষরে
আগামী দুই বছরের জন্য এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর হচ্ছে সি ৯৫০৭৪-১১। ঘোষিত আংশিক এ কমিটিকে শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার জন্য জেলা শাখার পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অনুমোদিত কমিটিতে দৈনিক নিরপেক্ষ পত্রিকা ও বাংলাদেশ বেতারের প্রতিনিধি মোঃ রেজাউল করিমকে সভাপতি, দৈনিক সমুদ্রকণ্ঠের প্রতিনিধি এম, শফিউল আলম আজাদকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, দৈনিক রূপসী গ্রামের প্রতিনিধি এম, ছরওয়ার সিফাকে সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক আমাদের কক্সবাজারের প্রতিনিধি আলা উদ্দিনকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়। অনুমোদিত কমিটিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওসমান গনি ইলি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সালা উদ্দিন।
সংগঠনটির ঈদগাঁও উপজেলা শাখায় অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক দৈনন্দিনের প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক এনামুল হক, দৈনিক কক্সবাজার বাণীর প্রতিনিধি মোঃ আরিফুল ইসলাম, দৈনিক কক্সবাজার দর্পণের প্রতিনিধি রাশেদুল আমির এবং দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মনজুর আলম।
জেলা কমিটি প্রত্যাশা করেছেন নবগঠিত এ উপজেলা কমিটি স্থানীয় সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও তাদের কল্যাণে নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তাছাড়া সাংবাদিক সমাজের ঐক্য, পেশাদারিত্ব ও মানবিক দায়িত্ববোধ সৃষ্টিতে এ কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উল্লেখ্য, ঈদগাঁও উপজেলায় কর্মরত যে সকল সংবাদকর্মী এ সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হতে ইচ্ছুক, তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে শীঘ্রই কমিটির পরিসর আরো বাড়ানো হবে।
২/ছবি আছে
আলোচিত মামলায় কক্সবাজারে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
কক্সবাজার প্রতিনিধি।
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় অপহরণের পর সহোদর দুই শিশুকে হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আবদুল গণি এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আব্দু শুক্কুর, আলমগীর হোসেন (প্রকাশ বুলু), মিজানুর রহমান ও মো. শহীদুল্লাহ।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা হলেন— আব্দুল মজিদ, ফাতেমা খাতুন, রাশেদা ও লায়লা বেগম।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ ফোরকানের দুই ছেলে— মোহাম্মদ হাসান শাকিল (১০) ও মোহাম্মদ হোছাইন কাজল (৮) পাড়ার পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন সন্ধ্যায় তাদের বাবার কাছে অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। অপহরণকারীরা চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরিবার টাকা না দিয়ে পুলিশে জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা দুই শিশুকে হত্যা করে।
তিন দিন পর গর্জনিয়া খাল থেকে দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুদের পিতা মোহাম্মদ ফোরকান বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় নয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
রায়ের পর নিহত শিশুদের পিতা মোহাম্মদ ফোরকান সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও আমি সন্তানের হত্যার ন্যায়বিচার পেয়েছি। আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি দ্রুত রায় কার্যকর হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো, অপরাধীরা আইনের হাত থেকে রক্ষা পায় না।



















