
আবুল হোসেন বাবলুঃ
রংপুরে রোগী বহনকারী এম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের হয়রানি বন্ধে রোগী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (রমেক) চত্বর থেকে এম্বুলেন্স সিন্ডিকেট চক্রের ৭ জনকে আটক করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
আরপিএমপি’র মিডিয়া সেল থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে মহানগর পুলিশ।
এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ নির্দিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিতে বাধ্য করার অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা রংপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন উত্তর ফতেপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে ওমেদ আলী (২৬), রংপুর মহানগর কোতয়ালী থানাধীন ধাপ কেল্লাবন্দ এলাকার সাজাহান মিয়ার ছেলে রানা মিয়া (৩৪), কাউনিয়া থানাধীন মহেষা গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে রাজু মিয়া (৪০), মহানগর হাজিরহাট থানার অন্তর্ভুক্ত বখতিয়ারপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম এর ছেলে বিপ্লব মিয়া (২৪), মহানগরীর পরশুরাম থানাধীন
কদমতলা গ্রামের মৃত তাহাজুল এর ছেলে ফরহাদ হোসেন(৪২), মহানগর কোতয়ালী থানাধীন আরাফাত হোসেন আপেল (২২), কোতয়ালী থানাধীন কেল্লাবন্দ এলাকার শফিকুল ইসলাম এর ছেলে মারুফ হোসেন (২৬)।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আশপাশে অবস্থান করে রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে অতিরিক্ত ভাড়ায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিতে বাধ্য করছিল।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা গ্রহণেও নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান পরিচালনা চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে।
তিনি আরও বলেন, আরপিএমপি’র কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এর সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে
চিকিৎসাসেবার মতো মানবিক খাতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হাসপাতাল কেন্দ্রিক দালালি, চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও জনভোগান্তি সৃষ্টিকারী যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অভিযান অব্যাহত থাকবে।















