০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরুঙ্গামারীতে চালের ড্রামে মিলল গাঁজা নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ১

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ৩০১৩ বার পঠিত হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানকালে চালের ড্রামে লুকিয়ে রাখা ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় গাঁজা বিক্রির নগদ ৮ হাজার টাকাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আনুমানিক রাত ৮ টার দিকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মাদক পাচারের অন্যতম রুট হিসেবে পরিচিত পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি সুজন আলীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে বাড়ির পেছনে থাকা একটি কাঠখড়ির ঘরে পরিত্যক্ত চালের ড্রামে বিশেষ কৌশলে রাখা ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গাঁজা বিক্রির নগদ ৮ হাজার টাকাসহ গাঁজার পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ধৃত মাদক কারবারি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী থানার অন্তর্ভুক্ত পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট গ্রামের কুখ্যাত মাদক কারবারি সুজা মিয়ার ছেলে জসিম (২৪)।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত গাঁজা ও জব্দকৃত নগদ অর্থের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধৃত মাদক কারবারির বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিন দিক ভারতীয় সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় এ এলাকায় মাদক চোরাচালানের প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে মাদক নির্মূলে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ সচেতন না হলে শুধু পুলিশের পক্ষে মাদক চোরাচালান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা কঠিন।

তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

র‌্যাবের পৃথক অভিযানে পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ মামলার ৩ পলাতক আসামী গ্রেফতার

ভূরুঙ্গামারীতে চালের ড্রামে মিলল গাঁজা নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ১

Update Time : ০১:০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানকালে চালের ড্রামে লুকিয়ে রাখা ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় গাঁজা বিক্রির নগদ ৮ হাজার টাকাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আনুমানিক রাত ৮ টার দিকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মাদক পাচারের অন্যতম রুট হিসেবে পরিচিত পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি সুজন আলীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে বাড়ির পেছনে থাকা একটি কাঠখড়ির ঘরে পরিত্যক্ত চালের ড্রামে বিশেষ কৌশলে রাখা ৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গাঁজা বিক্রির নগদ ৮ হাজার টাকাসহ গাঁজার পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ধৃত মাদক কারবারি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী থানার অন্তর্ভুক্ত পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট গ্রামের কুখ্যাত মাদক কারবারি সুজা মিয়ার ছেলে জসিম (২৪)।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত গাঁজা ও জব্দকৃত নগদ অর্থের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধৃত মাদক কারবারির বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিন দিক ভারতীয় সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় এ এলাকায় মাদক চোরাচালানের প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে মাদক নির্মূলে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ সচেতন না হলে শুধু পুলিশের পক্ষে মাদক চোরাচালান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা কঠিন।

তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।