
ডিমলা(নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নে এক ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ৫ ঘণ্টা ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে হাত বেঁধে একাধিকবার পালাক্রমে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। এ ঘটনায় ধর্ষনকারী দুই যুবকের নাম উল্লেখ করে ডিমলা থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউপির তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের রাখি আক্তার (ছদ্ম নাম) ১৭ বছর বয়সী ওই ছাত্রী ও তার ১৩ বছর বয়সী বোন তাদের মা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় নানার বাড়িতে থেকে ওই এলাকার একটি বিদ্যালয়ে লেখা পড়া করে।
রোববার (৫ এপ্রিল-২০২৬) সকালে তার মা মাহবুবা বেগমকে নিয়ে নানী সেরিনা বেগম ডাক্তার দেখাতে যান রংপুরে। বাড়িতে তখন ভুক্তভোগী রাখি ও তার ছোট বোন একা থাকার সুযোগে বখাটে ২ যুবক একই গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা (২১) ও বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) তারা বাড়ির আশপাশে ওত পেতে থাকে। দুপুরে রাখি আক্তার গোসল সেরে কাপড় শুকাতে দেওয়ার জন্য বাড়ির বাইরে গেলে ওত পেতে থাকা কাজল রানা ও বরকত মিলে মুখ চেপে ধরে পার্শ্ববর্তী ভূট্টাক্ষেতে তুলে নিয়ে গিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এমন পাশবিক নির্যাতনে একসময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে রাখি আক্তার। এ সময় বখাটেরা রাখি আক্তারকে ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সন্ধ্যা পেড়িয়ে গেলেও রাখি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে রাখিকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ভুট্রা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে যায়।
ঐদিন রাতে তার নানী সেরিনা বেগম বাড়িতে ফিরে ঘটনার বিষয় জানতে পেরে রাতেই ডিমলা থানায় ধর্ষক ২ যুবক নীলফামারী জেলার ডিমলা থানাধীন ডালিয়া (পূর্ব কাঠাল পাড়া) গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা (২১) এবং একই গ্রামের বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) এর নামে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-৫, তারিখ ০৬ এপ্রিল-২০২৬।
এ বিষয়ে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ এবং ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে থানা পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত আছে।



















