
প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক এরই জের ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে।
বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে র্যাব-১৩’র অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অত্র মামলার আসামী ফজলে রাব্বীর সাথে ভিকটিমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। এরই জের ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ৭ অক্টোবর রাতে বগুড়া জেলার সদর থানার অন্তর্ভুক্ত জহুরুল নগর এলাকার “ক্ষনিকালয়” নামে হান্নান এর বাসার ২য় তলায় রেখে ফজলে রাব্বী ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ভিকটিমের পরিবার জানতে পারলে গত ২ ফেব্রুয়ারী ভিকটিম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১) ধারায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০৭। ঘটনাটিতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামীকে গ্রেফতারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তা নিয়ে আসামীকে গ্রেফতারের তৎপরতা শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৩ সিপিসি-২ নীলফামারী ও র্যাব-১২ সিপিএসসি বগুড়া ক্যাম্প ৬ ফেব্রুয়ারী রাত আনুমানিক দুটার দিকে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার অন্তর্ভুক্ত ভুল্লিপাড়া এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার এজাহারনায়ীয় প্রধান পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী পঞ্চগড় জেলার বোদা থানাধীন ভুল্লিপাড়া গ্রামের দবিরুল ইসলামের ছেলে ফজলে রাব্বী (২৩)। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।














