
র্যাবের যৌথ অভিযানে নীলফামারী জেলার ডিমলা থানাধীন এলাকার চাঞ্চল্যকর হামিদুল হত্যা মামলার পলাতক আসামী ঢাকার পল্লবী থেকে গ্রেফতার।
বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে র্যাব-১৩’র অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘদিনের যায়গা জমি সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জের ধরে হামিদুল ইসলামকে খুন করা হয়।
ঘটনার দিন ১৯ ডিসেম্বর’২৫ সকাল আনুমানিক দশটার দিকে হামিদুলের জমি দখলের চেষ্টায় অবৈধভাবে ঘর নির্মান শুরু করে হামিদুল ইসলামের প্রতিপক্ষ আবুল হোসেন ও তার লোকজন। এতে বাধা দিতে গেলে
আবুল হোসেন ও তার লোকজন হামিদুলকে দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথারী মারপিট করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন হামিদুলকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করালে পরদিন ২০ ডিসেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামিদুল মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় হামিদুলের স্ত্রী বাদী হয়ে নীলফামারী জেলার ডিমলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১৭, তারিখ- ২৩/১২/২০২৫ খ্রি; ধারা- ১৪৩/১৪৭/ ৪৪৭/৪৪৮/৩৪১/ ৩২৩/৩২৪/৩২৬/ ৪২৭/৩০২/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড।
ঘটনাটি উক্ত এলাকায় ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামীদের গ্রেফতারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ছায়া তদন্ত এবং গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৮ জানুয়ারী) রাত আনুমানিক পৌনে নয়টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ সিপিসি-২ নীলফামারী এবং র্যাব-৪ সিপিসি-১ ক্যাম্প পাইকপাড়া ঢাকা মিরপুর-১ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানাধীন বাড়ী নং-৩৪, লাইন নং-০৪, ব্লক-ডি, সেকশন-১২, শহীদবাগ, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬ এর জনৈক মাহমুদ হোসেনের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার অন্তর্ভুক্ত মধ্য কাকড়া গ্রামের মৃত ঝরু মামুদ এর ছেলে আবুল হোসেন (৫৬)। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।



















