
মোঃ শান্ত খান বিশেষ প্রতিনিধি
আজকের এই দিন, ২৮ অক্টোবর ২০২৩, এক ঐতিহাসিক দিন যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সোনালী অক্ষরে লেখা থাকবে। এই দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাহসিকতা, ত্যাগ ও সংগ্রামের জন্য, যারা নিজেদের জীবনকে তুচ্ছ করে রাজপথে নেমে এসেছিলেন এবং দেশের গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের প্রমাণ দিয়েছেন। ২০২২ সালের ২৮ অক্টোবরও ছিল এমন এক দিন, যখন বিএনপির নেতা-কর্মীরা স্বৈরশাসক সরকারকে প্রতিহত করতে এবং দেশকে গণতান্ত্রিক পথে ফিরিয়ে আনতে সাহসিকতার সাথে সংগ্রাম করেছিলেন।
নয়াপল্টনে জীবন-মৃত্যুর সীমানায় দাঁড়িয়ে লড়াই
গত বছর আজকের দিনেই, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য এবং ঢাকা-১৯ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, সাভার বাজার রোড ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সম্মানিত সভাপতি, বিএনপির নেতা ও সাভার সিটি সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ওবায়দুর রহমান অভি ভাইয়ের নেতৃত্বে, দলীয় নেতা-কর্মীরা রাজপথে গর্জন দিয়েছিলেন। এই সংগ্রামে তাঁদের পাশে ছিলেন সাভার পৌর যুবদল নেতা মোহাম্মদ ইউসুফ আহমেদ, যিনি ছিলেন দলের প্রতি নিজের অবিচল আনুগত্য এবং নেতৃত্বের প্রতি ভালোবাসার এক প্রতীক।
এদিন, ইউসুফ আহমেদ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দলের নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এসেও, আল্লাহর রহমতে তিনি দলের নেতা ডা. সালাউদ্দিন বাবু ও অভি ভাইয়ের জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হন। তাঁর এই সাহসিকতা, ত্যাগ এবং নিঃস্বার্থ ভালবাসা দলের প্রতি তাঁর অটল আনুগত্যেরই প্রমাণ।
দলের প্রতি অবিচল আস্থার প্রতীক
এই ঐতিহাসিক দিনে, ইউসুফ আহমেদ তাঁর নেতৃত্বের দক্ষতা, দলের প্রতি গভীর আস্থা ও একাগ্রতার প্রমাণ দিয়েছিলেন। দলীয় কর্মসূচির প্রতি তাঁর অঙ্গীকার এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি শুধু নিজের জীবনই ঝুঁকিতে ফেলেননি, বরং দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তার জন্যও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
এছাড়া, ইউসুফ আহমেদ দলের প্রয়োজনে বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং দলের কর্মসূচি সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছিলেন। দলের জন্য তাঁর অবিরাম কাজ এবং কর্মীদের সাথে একযোগে ঢাকা মুখি বিশাল প্রচারণায় তাঁর অবদান অসামান্য।
একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংগ্রামের এক নতুন দিগন্ত
এদিনের এই সংগ্রাম রাজনৈতিক সঙ্কটের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। ২৮ অক্টোবর ২০২২-এ বিএনপির নেতা-কর্মীরা শুধু নিজেদের নেতাদের রক্ষা করেননি, বরং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নতুন করে শক্তিশালী করার জন্য নিজেদের জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তাঁদের সাহসিকতা এবং একাগ্রতা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এক শক্তিশালী বার্তা হয়ে থাকবে।
এ দিনটি ছিল সাহসের, সংগ্রামের, অটল বিশ্বাসের এবং দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্রমাণ করেছেন, যে কোনো দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে তারা একত্রিত হয়ে নিজেদের আদর্শে অবিচল থাকবেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে তাঁদের সঙ্কল্পের তীব্রতা চিরকাল বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সমাপনী মন্তব্য
আজকের এই দিনটি, ২৮ অক্টোবর ২০২৩, আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, গণতন্ত্রের সংগ্রাম কখনো থেমে থাকে না। বিএনপির নেতা-কর্মীরা, বিশেষ করে সাভার পৌর যুবদল নেতা ইউসুফ আহমেদ, তাঁদের সাহসিকতা এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে জনগণকে আরও একবার এটি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য তাদের লড়াই চলবে, অনন্তকাল।
এখন, যখন ২৮ অক্টোবর ২০২৩ এর ঘটনাগুলির প্রতি ফিরে তাকানো হয়, তখন এটি প্রমাণিত হয় যে রাজনৈতিক সংগ্রাম কখনো ফুরায় না। এটি শুধু একটি দিন নয়, বরং একটি চিরন্তন শক্তির উৎস।

















