০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকের আখড়ার পর এবার গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্ধিদের খাবার বিক্রি অভিযোগ খোদ সুপারের বিরুদ্ধে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৫৪ বার পঠিত হয়েছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মাদকের আখড়ায় পরিনত গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে এখন বন্ধিদের খাবারের পাঁচ’শ কেজি ডাউল বাইরে নিয়ে বিক্রি করে দেবার অভিযোগ উঠেছে খোদ জেল সুপার শওকত মিয়ার বিরুদ্ধ।।

ভিডিও বার্তায় দেখা যায় গত (৩) সেপ্টেম্বর একটি ভ্যানে করে সাদা বস্তায় ডাউল বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বলতে শোনা যায় ও দেখা যায় (৩) সেপ্টেম্বর জেল সুপার শওকত মিয়া সকাল ৯-২০ মিনিটে কারাগারের খাদ্যগুদামে যান এরপর সেখান থেকে একটি ভ্যানগাড়ী করে বন্ধিদের খাবারের পাচঁ’শ কেজি ডাউল বাইরে পাঠিয়ে দেন এরপর তিনি গুদাম থেকে সকাল দশটায় বাইরে চলে আসেন তিনি,, ওইদিনের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের দাবী জানানো হয় ওই ভিডিও বার্তায় এছাড়াও ওই ভিডিও বার্তায় আরো বলতে শোনা যায় রাজু নামের একজন কারা বন্ধির কাছ থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় জেল সুপারের অর্ডার্লি কারারক্ষী রুপক মিয়ার ম্যাধমে কেস টেবিল এর টাকা নিয়ে থাকেন।। ক্যান্টিনে নাম মাত্র একটি তালিকা ঝুলানো থাকলেও সরকার নির্ধারিত মুল্যে কোনো পন্য কারাবন্ধিদের কাছে বিক্রি করা হয়না।। বন্ধিদের কাছ থেকে চড়া দাম নেওয়া হয় এই অনিয়মে তার সহযোগী হিসাবে কাজ করছেন ভারপ্রাপ্ত জেলার সুমি ঘোষ মোটা টাকার বিনিময়ে কারারক্ষীদের পোষ্টিংও দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, এছাড়া সরকারী গাড়ী ব্যাক্তিগত কাজে ব্যাবহারের অভিযোগও রয়েছে এদিকে টাকা পয়সা ভাগাভাগি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলার ও সুপারের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে,, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি পুরো বিষয়টা মিডিয়ার সামনে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে জেল সুপার শওকত মিয়ার সাথে সাংবাদিকদের কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি তিনি অস্বিকার করে বলেন -কারাগার অভ্যান্তরের কেউ হয়তো ষড়যন্ত্র করে আমার বাসা থেকে বের হবার সময়ের ভিডিও ফুটেজ সংযুক্ত করে এমন ভিডিও তৈরি করেছে এ বিষয়ে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।। তবে কারারক্ষীদের রেশন এর চাউল ডাউল তারা বিক্রি করে থাকেন।। হয়তো ওই ভিডিও ফুটেজই কারারক্ষীদের রেশনের ডাউল চাউল বিক্রির ফুটেজ হতে পারে।। তিনি আরো বলেন আমি এখানে যোগদানের পর থেকেই মাদক ঠেকাতে কারাগারে নিয়মিত তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছি।।

একদিকে মাদকের আখড়া অন্যদিকে বন্ধিদের খাবারের ডাউলের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান এর সংগে কথা বলতে বারবার যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে মৌসুমি ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

মাদকের আখড়ার পর এবার গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্ধিদের খাবার বিক্রি অভিযোগ খোদ সুপারের বিরুদ্ধে

Update Time : ১০:১০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মাদকের আখড়ায় পরিনত গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে এখন বন্ধিদের খাবারের পাঁচ’শ কেজি ডাউল বাইরে নিয়ে বিক্রি করে দেবার অভিযোগ উঠেছে খোদ জেল সুপার শওকত মিয়ার বিরুদ্ধ।।

ভিডিও বার্তায় দেখা যায় গত (৩) সেপ্টেম্বর একটি ভ্যানে করে সাদা বস্তায় ডাউল বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বলতে শোনা যায় ও দেখা যায় (৩) সেপ্টেম্বর জেল সুপার শওকত মিয়া সকাল ৯-২০ মিনিটে কারাগারের খাদ্যগুদামে যান এরপর সেখান থেকে একটি ভ্যানগাড়ী করে বন্ধিদের খাবারের পাচঁ’শ কেজি ডাউল বাইরে পাঠিয়ে দেন এরপর তিনি গুদাম থেকে সকাল দশটায় বাইরে চলে আসেন তিনি,, ওইদিনের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের দাবী জানানো হয় ওই ভিডিও বার্তায় এছাড়াও ওই ভিডিও বার্তায় আরো বলতে শোনা যায় রাজু নামের একজন কারা বন্ধির কাছ থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় জেল সুপারের অর্ডার্লি কারারক্ষী রুপক মিয়ার ম্যাধমে কেস টেবিল এর টাকা নিয়ে থাকেন।। ক্যান্টিনে নাম মাত্র একটি তালিকা ঝুলানো থাকলেও সরকার নির্ধারিত মুল্যে কোনো পন্য কারাবন্ধিদের কাছে বিক্রি করা হয়না।। বন্ধিদের কাছ থেকে চড়া দাম নেওয়া হয় এই অনিয়মে তার সহযোগী হিসাবে কাজ করছেন ভারপ্রাপ্ত জেলার সুমি ঘোষ মোটা টাকার বিনিময়ে কারারক্ষীদের পোষ্টিংও দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, এছাড়া সরকারী গাড়ী ব্যাক্তিগত কাজে ব্যাবহারের অভিযোগও রয়েছে এদিকে টাকা পয়সা ভাগাভাগি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলার ও সুপারের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে,, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি পুরো বিষয়টা মিডিয়ার সামনে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে জেল সুপার শওকত মিয়ার সাথে সাংবাদিকদের কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি তিনি অস্বিকার করে বলেন -কারাগার অভ্যান্তরের কেউ হয়তো ষড়যন্ত্র করে আমার বাসা থেকে বের হবার সময়ের ভিডিও ফুটেজ সংযুক্ত করে এমন ভিডিও তৈরি করেছে এ বিষয়ে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।। তবে কারারক্ষীদের রেশন এর চাউল ডাউল তারা বিক্রি করে থাকেন।। হয়তো ওই ভিডিও ফুটেজই কারারক্ষীদের রেশনের ডাউল চাউল বিক্রির ফুটেজ হতে পারে।। তিনি আরো বলেন আমি এখানে যোগদানের পর থেকেই মাদক ঠেকাতে কারাগারে নিয়মিত তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছি।।

একদিকে মাদকের আখড়া অন্যদিকে বন্ধিদের খাবারের ডাউলের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান এর সংগে কথা বলতে বারবার যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।।