০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সাংগঠনিক শক্তি ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ৷

মোঃ মাফিজুল ইসলাম ,জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওএমএস ডিলারশিপ পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রেসক্লাবের একটি ঘর ডিড জালিয়াতির মাধ্যমে হস্তান্তর করেন তখনকার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ৮ আগস্টের আগে মাসুদ রানা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না, কিন্তু ডিডের নথিতে জুলাই মাসকে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ওই সময় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রতন খাঁ।

অন্যদিকে, প্রেসক্লাবের এক বছরের আয়-ব্যয় একই পরিমাণ দেখানো হয়, যা নিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্যরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ কারণে চার সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়।

অডিট কমিটি গঠনের পর সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা ৫১ হাজার টাকা এবং কোষাধ্যক্ষ মুসা ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা সংগঠনের তহবিলে ফেরত দেন। অর্থ ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অপরাধের দায় স্বীকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয় বলে অভিযোগকারীদের দাবি। মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সংগঠনে ফিরে আসে।

অভিযোগ করা হয়, এই অর্থ ফেরত আসত না যদি সংগঠনের প্রতিবাদী সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা না নিতেন। সাধারণ সদস্যরা বিষয়গুলো আমলে নেওয়ার জন্য দুই দফায় নির্বাহী কমিটির কাছে আবেদন করেন, কিন্তু প্রেসক্লাবের সভাপতি তা আমলে নেননি৷

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

র‍্যাবের অভিযানে ডাকাতি মামলার প্রধান পলাতক আসামী গ্রেফতার

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সাংগঠনিক শক্তি ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ৷

Update Time : ০৪:০৬:৪২ অপরাহ্ন, রোববার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ মাফিজুল ইসলাম ,জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওএমএস ডিলারশিপ পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রেসক্লাবের একটি ঘর ডিড জালিয়াতির মাধ্যমে হস্তান্তর করেন তখনকার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ৮ আগস্টের আগে মাসুদ রানা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না, কিন্তু ডিডের নথিতে জুলাই মাসকে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ওই সময় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রতন খাঁ।

অন্যদিকে, প্রেসক্লাবের এক বছরের আয়-ব্যয় একই পরিমাণ দেখানো হয়, যা নিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্যরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ কারণে চার সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়।

অডিট কমিটি গঠনের পর সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা ৫১ হাজার টাকা এবং কোষাধ্যক্ষ মুসা ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা সংগঠনের তহবিলে ফেরত দেন। অর্থ ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অপরাধের দায় স্বীকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয় বলে অভিযোগকারীদের দাবি। মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সংগঠনে ফিরে আসে।

অভিযোগ করা হয়, এই অর্থ ফেরত আসত না যদি সংগঠনের প্রতিবাদী সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা না নিতেন। সাধারণ সদস্যরা বিষয়গুলো আমলে নেওয়ার জন্য দুই দফায় নির্বাহী কমিটির কাছে আবেদন করেন, কিন্তু প্রেসক্লাবের সভাপতি তা আমলে নেননি৷