০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় শহিদ দিবস আজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ আগস্ট ২০২৫
  • ৩০২৮ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ মিনারুল ইসলাম

চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

আজ ০৫ ই (আগস্ট) মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা স্থানীয় শহিদ দিবস । দিবসটি পালন উপলক্ষে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে সকাল ৮ টায় পাকবাহিনীর হাতে নিহত ৮ জন মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্প অর্পণ, জাতীয় ও মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্র।

১৯৭১ সালের ৫ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার মধ্যবর্তী স্থান রতনপুর ও বাগোয়ান গ্রামের মাঝামাঝি মাঠে পাক-হানাদার বাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধে ১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন। এ যুদ্ধে ৭ জন প্রাণে বেঁচে গেলেও ৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত হন। নিহতেরা হলেন- শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান জামান, আবুল কাশেম, রবিউল ইসলাম, কিয়ামুদ্দিন, আফাজ উদ্দিন, আলাউল ইসলাম খোকন, রওশন আলম, খালেদ সাইফুদ্দিন ও আহম্মেদ তারেক।

এই যুদ্ধে নিহত ৮ জনের লাশ দামুড়হুদা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে কিতাব হালদারের জমিতে চাপা মাটি দেয় পাক-হানাদার বাহিনী। যা পরবর্তীতে এর নাম আটকবর করা হয়। এরপর ১৯৯৮ সালে ৮ কবর স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে আটকবর নামে এ স্থানটি পরিচিতি লাভ করে। ১৯৯৮ সালে ৬৬ শতক জমির ওপর তৎকালীন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে দেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফারিয়া’র ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় শহিদ দিবস আজ

Update Time : ০৮:৪৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ আগস্ট ২০২৫

মোঃ মিনারুল ইসলাম

চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

আজ ০৫ ই (আগস্ট) মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা স্থানীয় শহিদ দিবস । দিবসটি পালন উপলক্ষে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে সকাল ৮ টায় পাকবাহিনীর হাতে নিহত ৮ জন মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্প অর্পণ, জাতীয় ও মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্র।

১৯৭১ সালের ৫ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার মধ্যবর্তী স্থান রতনপুর ও বাগোয়ান গ্রামের মাঝামাঝি মাঠে পাক-হানাদার বাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধে ১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন। এ যুদ্ধে ৭ জন প্রাণে বেঁচে গেলেও ৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত হন। নিহতেরা হলেন- শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান জামান, আবুল কাশেম, রবিউল ইসলাম, কিয়ামুদ্দিন, আফাজ উদ্দিন, আলাউল ইসলাম খোকন, রওশন আলম, খালেদ সাইফুদ্দিন ও আহম্মেদ তারেক।

এই যুদ্ধে নিহত ৮ জনের লাশ দামুড়হুদা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে কিতাব হালদারের জমিতে চাপা মাটি দেয় পাক-হানাদার বাহিনী। যা পরবর্তীতে এর নাম আটকবর করা হয়। এরপর ১৯৯৮ সালে ৮ কবর স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে আটকবর নামে এ স্থানটি পরিচিতি লাভ করে। ১৯৯৮ সালে ৬৬ শতক জমির ওপর তৎকালীন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে দেন।