
মোঃ মিনারুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি: বিদ্রোহ, মানবতা ও সাম্যের কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (২৭ আগস্ট) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় কবির স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭৬ সালের ২৭ আগস্ট (১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) ঢাকার পিজি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সাহিত্যের এই বহুমুখী প্রতিভা। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া নজরুল ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেড়ে উঠেন। ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। অল্প সময়ের সাহিত্যজীবনেই তিনি বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন অসংখ্য কবিতা, গান, প্রবন্ধ ও নাটকের মাধ্যমে।
তার সৃষ্টিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, মানবপ্রেম ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে তাঁকে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয়। জাতীয় কবির মর্যাদা প্রদানের পাশাপাশি সরকারি বাসভবন দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে তাঁকে ডি-লিট সম্মাননা প্রদান করে। ১৯৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পান এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক লাভ করেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আয়োজন করেছে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল।
কার্পাসডাঙ্গার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল হাসান তনু, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল করিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ





















