০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের অনুরোধে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে: কুড়িগ্রামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৭:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৩০ বার পঠিত হয়েছে

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতের অনুরোধে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে, কোনো চাপে নয়। দুর্গাপূজায় সৌজন্যবোধ ও অনুরোধের কারণে এ বছর ভারতে ১২০০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভারতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে মাছ রপ্তানি করে আসছি। যেহেতু সেখানে একটা ধর্মীয় উৎসবের ব্যাপার আছে তাই আমরা ইলিশ পাঠাচ্ছি। যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নারী কৃষক এবং স্থানীয় এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গ আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা আখতার বলেন, গত বছরের তুলনায় ইলিশ কম ধরা পড়ায় বাজারে ইলিশের দাম বেশি। গত মৌসুমের তুলনায় জুলাই মাসে ৩৭ শতাংশ কম ইলিশ ধরা পড়েছে। আর আগস্ট মাসে কম ধরা পড়েছে ৪৭ শতাংশ ইলিশ। যার কারণে বাজারে ইলিশের দাম বেশি। আমরা দামটা কমাতে পারিনি। সরকার জনকল্যাণের জন্য নানামুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সরকারিভাবে মাছ বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি প্রবাসী যারা রয়েছেন তাদের কাছেও মাছ রপ্তানির জন্য সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর জাটকা নিধনের ফলে ইলিশের উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। তবে এ মাসেই দেশের কিছু জায়গায় সাশ্রয়ী মূল্যে ইলিশ বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রবাসী বাঙালীদের দাবির প্রেক্ষিতে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ১১ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ বিদেশে পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ফরিদা আখতার বলেন, কৃষিতে যেমন প্রণোদনা আছে, মৎস্যে তেমন প্রণোদনা নেই বললেই চলে। তবে আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।

তিনি বলেন, গবাদিপশুকে এলএসডি মুক্ত করতে সিরাজগঞ্জ, পাবনা, মানিকগঞ্জসহ চার জেলা সম্পূর্ণরুপে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।

এ সময় কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোক্তাদির খান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ফকির বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

ভারতের অনুরোধে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে: কুড়িগ্রামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

Update Time : ০৮:২৭:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতের অনুরোধে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে, কোনো চাপে নয়। দুর্গাপূজায় সৌজন্যবোধ ও অনুরোধের কারণে এ বছর ভারতে ১২০০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভারতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে মাছ রপ্তানি করে আসছি। যেহেতু সেখানে একটা ধর্মীয় উৎসবের ব্যাপার আছে তাই আমরা ইলিশ পাঠাচ্ছি। যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নারী কৃষক এবং স্থানীয় এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গ আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা আখতার বলেন, গত বছরের তুলনায় ইলিশ কম ধরা পড়ায় বাজারে ইলিশের দাম বেশি। গত মৌসুমের তুলনায় জুলাই মাসে ৩৭ শতাংশ কম ইলিশ ধরা পড়েছে। আর আগস্ট মাসে কম ধরা পড়েছে ৪৭ শতাংশ ইলিশ। যার কারণে বাজারে ইলিশের দাম বেশি। আমরা দামটা কমাতে পারিনি। সরকার জনকল্যাণের জন্য নানামুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সরকারিভাবে মাছ বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি প্রবাসী যারা রয়েছেন তাদের কাছেও মাছ রপ্তানির জন্য সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর জাটকা নিধনের ফলে ইলিশের উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। তবে এ মাসেই দেশের কিছু জায়গায় সাশ্রয়ী মূল্যে ইলিশ বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রবাসী বাঙালীদের দাবির প্রেক্ষিতে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ১১ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ বিদেশে পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ফরিদা আখতার বলেন, কৃষিতে যেমন প্রণোদনা আছে, মৎস্যে তেমন প্রণোদনা নেই বললেই চলে। তবে আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।

তিনি বলেন, গবাদিপশুকে এলএসডি মুক্ত করতে সিরাজগঞ্জ, পাবনা, মানিকগঞ্জসহ চার জেলা সম্পূর্ণরুপে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।

এ সময় কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোক্তাদির খান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।