
আবুল হোসেন বাবলুঃ
নগরীর বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় চায়ের দোকান, পানের দোকান ও বেকারি দোকানে বিক্রি হচ্ছে গাঁজার বিড়ি ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। মাদক কারবারিরা বদলাচ্ছে তাদের ব্যবসার কৌশল, পাচারের কৌশল। অপরদিকে থেমে নেই আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ডিবি পুলিশের অভিযানিক কৌশল। মাত্র ক’দিন আগে নগরীর কেডিসি রোডের “আশিক স্টোর” নামের একটি বেকারি ও চায়ের দোকান থেকে ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি মনোয়ার হোসেন মিঠুকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
সপ্তাহ না পেরুতেই কেডিসি রোডের একটি পানের দোকানে ইয়াবা বিক্রি করার অপরাধে এক নারী মাদক কারবারিকে ইয়াবাসহ আটক করল রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশ।
শনিবার ৩০ মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি’র একটি চৌকস দল আরপিএমপির কোতয়ালী থানাধীন ২১নং ওয়ার্ডের কুড়িগ্রাম বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় লাকী বেগম নামে একজন নারীর পানের দোকানে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ১৭ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ ওই নারী মাদক কারবারি কে আটক করতে সক্ষম হয় ডিবি পুলিশ।
ধৃত নারী মাদক কারবারি রংপুর মাহনগর কোতয়ালী থানার অন্তর্ভুক্ত লালবাগ কেডিসি (রেলবস্তি)এলাকার মৃত জোনা মিয়া ও মোছা: ফজিলা বেগমের মেয়ে মোছা: লাকী বেগম (৪৮)। ধৃত মাদক কারবারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী বলেন,
আরপিএমপি’র কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এর দিকনির্দেশনায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিটি ইউনিট মাদক উদ্ধার ও নির্মূল অভিযান, ওয়ারেন্ট তামিল, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, চুরি-ছিনতাই ও ডাকাতি প্রতিরোধ, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।











