০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তোমার কাপড় ধোওয়া, শুকানো, বদলে দেওয়া : বিনা পয়সায়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০২৭ বার পঠিত হয়েছে

লেখক : মোঃ শাহজাহান বাশার
সাংবাদিক ও কলম সৈনিক
সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিপোর্টার্স কাউন্সিল (BIRC)

আমাদের সমাজে এখনো এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা নিঃস্বার্থভাবে অন্যের সেবা করে যান। অথচ তারা কোনো কিছুই প্রত্যাশা করেন না। প্রতিদিনের জীবনে ছোটখাটো অনেক কাজ রয়েছে, যেগুলো আমরা হয়তো গুরুত্ব দিই না। যেমন—কাপড় ধোওয়া, রোদে শুকানো কিংবা ছিঁড়ে গেলে বদলে দেওয়া। কিন্তু যদি এমন কাউকে পাওয়া যায়, যিনি সব কাজ হাসিমুখে বিনা পয়সায় করে দেন, তবে সেটি নিঃসন্দেহে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

আজকের সমাজে অর্থ আর স্বার্থকেন্দ্রিকতা যেখানে সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি, সেখানে বিনা স্বার্থে সেবা দেওয়া একদিকে যেমন বিরল, অন্যদিকে তা মানবতার মহিমাকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই নিঃস্বার্থ সেবামূলক কাজ কেবল একটি দায়িত্ব নয়—এটি একধরনের ভালোবাসা, যত্ন আর আন্তরিকতার প্রতীক।

মানুষকে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো—তার পাশে দাঁড়ানো, তার ছোট-বড় প্রয়োজনগুলো মেটানো। বিনা পারিশ্রমিকে অন্যের কাপড় পরিষ্কার করা কিংবা কষ্ট করে বদলে দেওয়া আসলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা সমাজে অনুপ্রেরণা জাগায়।

আজকের দিনে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যকে সাহায্য করা। হয়তো সেটা কাপড় ধোওয়া নয়, কিন্তু অন্তত একটি মিষ্টি কথা, একটি হাসি কিংবা একটি সহায়ক হাত বাড়িয়ে দেওয়া। ঠিক এই ছোট ছোট মানবিক কাজগুলোই সমাজকে বদলে দিতে পারে।

মানবিক সেবা কখনো পয়সায় মাপা যায় না। যারা নিঃস্বার্থভাবে অন্যের সেবা করেন, তারাই প্রকৃত মানুষ, তারাই সমাজের আসল নায়ক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে মৌসুমি ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

তোমার কাপড় ধোওয়া, শুকানো, বদলে দেওয়া : বিনা পয়সায়

Update Time : ০৫:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

লেখক : মোঃ শাহজাহান বাশার
সাংবাদিক ও কলম সৈনিক
সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিপোর্টার্স কাউন্সিল (BIRC)

আমাদের সমাজে এখনো এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা নিঃস্বার্থভাবে অন্যের সেবা করে যান। অথচ তারা কোনো কিছুই প্রত্যাশা করেন না। প্রতিদিনের জীবনে ছোটখাটো অনেক কাজ রয়েছে, যেগুলো আমরা হয়তো গুরুত্ব দিই না। যেমন—কাপড় ধোওয়া, রোদে শুকানো কিংবা ছিঁড়ে গেলে বদলে দেওয়া। কিন্তু যদি এমন কাউকে পাওয়া যায়, যিনি সব কাজ হাসিমুখে বিনা পয়সায় করে দেন, তবে সেটি নিঃসন্দেহে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

আজকের সমাজে অর্থ আর স্বার্থকেন্দ্রিকতা যেখানে সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি, সেখানে বিনা স্বার্থে সেবা দেওয়া একদিকে যেমন বিরল, অন্যদিকে তা মানবতার মহিমাকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই নিঃস্বার্থ সেবামূলক কাজ কেবল একটি দায়িত্ব নয়—এটি একধরনের ভালোবাসা, যত্ন আর আন্তরিকতার প্রতীক।

মানুষকে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো—তার পাশে দাঁড়ানো, তার ছোট-বড় প্রয়োজনগুলো মেটানো। বিনা পারিশ্রমিকে অন্যের কাপড় পরিষ্কার করা কিংবা কষ্ট করে বদলে দেওয়া আসলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা সমাজে অনুপ্রেরণা জাগায়।

আজকের দিনে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যকে সাহায্য করা। হয়তো সেটা কাপড় ধোওয়া নয়, কিন্তু অন্তত একটি মিষ্টি কথা, একটি হাসি কিংবা একটি সহায়ক হাত বাড়িয়ে দেওয়া। ঠিক এই ছোট ছোট মানবিক কাজগুলোই সমাজকে বদলে দিতে পারে।

মানবিক সেবা কখনো পয়সায় মাপা যায় না। যারা নিঃস্বার্থভাবে অন্যের সেবা করেন, তারাই প্রকৃত মানুষ, তারাই সমাজের আসল নায়ক।