
আবুল হোসেন বাবলুঃ
ছোট বোনকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে কুড়িগ্রামের কচাটাকা থানায় মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত পলাতক প্রধান আসামী আবুল কালামকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
শুক্রবার ০৬ মার্চ বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে র্যাব-১৩’র অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ধৃত আসামী আবুল কালাম এবং তার সহযোগীরা পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে ভিকটিম শাহিদা খাতুনের ছোট বোনকে শারীরিক মেলামেশা করার জন্য কুপ্রস্তাব দেয়। বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানালে ভিকটিম এবং তার ভাই আসামীর বিরুদ্ধে গ্রাম্য সালিশ ডাকে। তবে আসামী সালিশের দিন উপস্থিত না হওয়ায় বিষয়টি অমীমাংসিতই থেকে যায়।
এরই জেরে গত ১৪ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ভিকটিম রান্না করার জন্য চাল ধুতে বাড়ির উঠানে টিউবওয়েলের পাড়ে গেলে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা আবুল কালাম এবং তার সহযোগীরা মিলে ভিকটিমকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সাইফুর রহমান বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৫, তারিখ- ১৬/০১/২০২৬খ্রিঃ, ধারা: ৩০২/ ১০৯/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০।
হত্যাকান্ডটি মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। থানায় মামলার প্রেক্ষিতে
অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আসামীদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে র্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ সদর কোম্পানী রংপুর এর একটি আভিযানিক দল রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানাধীন স্টেশন রোডস্থ জনৈক আব্দুল মতিন আনছারীর বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত মামলার পলাতক আবুল কালামকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী আবুল কালাম (৩৫) কুড়িগ্রাম জেলার সদর থানার অন্তর্ভুক্ত চর হরিকেশ গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।



















