০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর থানা পুলিশের ঝটিকা অভিযান; মাদক পাচারে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ, এলাকায় স্বস্তি।

জীবননগরে পুলিশের বড় সাফল্য; ১০০০ পিস ইয়াবাসহ আন্তঃজেলা মাদক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ৩০৩৪ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ মিনারুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পুরন্দপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ আসলাম আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ পুরন্দপুর এলাকায় একটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন তিন ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তাদের হেফাজত থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ ইয়াবাগুলো জব্দ করে এবং অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রেফতারকৃত তিন আসামীর মধ্যে একজন স্থানীয় এবং বাকি দুইজন কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা। তারা হলেন:
মোঃ জিয়াউর রহমান (৪৫): পিতা-শুকুর আলী, গ্রাম-পুরন্দপুর, থানা-জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা।
রিপন চাকমা (৩০): পিতা-সৈচাংইনপ চাকমা, গ্রাম-তেলখুলা, থানা-উখিয়া, কক্সবাজার।
মং দ্রিতাইন চাকমা (২৮): পিতা-মাইন, গ্রাম-হরিখোলা, থানা-টেকনাফ, কক্সবাজার।

জীবননগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা একটি সুসংগঠিত আন্তঃজেলা মাদক চক্রের সদস্য। তারা কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে চুয়াডাঙ্গাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সরবরাহ করে আসছিল।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং জেলার প্রতিটি এলাকায় অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

মাদক সমাজ ও যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করুন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

র‌্যাব-১৩’র অভিযানে চকো প্লাস ও এস্কাফসহ এক নারী গ্রেফতার

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর থানা পুলিশের ঝটিকা অভিযান; মাদক পাচারে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ, এলাকায় স্বস্তি।

জীবননগরে পুলিশের বড় সাফল্য; ১০০০ পিস ইয়াবাসহ আন্তঃজেলা মাদক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

Update Time : ০৮:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মোঃ মিনারুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পুরন্দপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ আসলাম আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ পুরন্দপুর এলাকায় একটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন তিন ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তাদের হেফাজত থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ ইয়াবাগুলো জব্দ করে এবং অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রেফতারকৃত তিন আসামীর মধ্যে একজন স্থানীয় এবং বাকি দুইজন কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা। তারা হলেন:
মোঃ জিয়াউর রহমান (৪৫): পিতা-শুকুর আলী, গ্রাম-পুরন্দপুর, থানা-জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা।
রিপন চাকমা (৩০): পিতা-সৈচাংইনপ চাকমা, গ্রাম-তেলখুলা, থানা-উখিয়া, কক্সবাজার।
মং দ্রিতাইন চাকমা (২৮): পিতা-মাইন, গ্রাম-হরিখোলা, থানা-টেকনাফ, কক্সবাজার।

জীবননগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা একটি সুসংগঠিত আন্তঃজেলা মাদক চক্রের সদস্য। তারা কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে চুয়াডাঙ্গাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সরবরাহ করে আসছিল।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং জেলার প্রতিটি এলাকায় অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

মাদক সমাজ ও যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করুন।