০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধানের শীষ ও ফুটবলের লড়াইয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনে সুবিধাজনক অবস্থানে জামায়াত

  • Update Time : ০৫:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ৩০১১ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ শাহজাহান বাশার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। রাত পোহালেই জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষিত ভোট। আর এই ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর অবস্থান। এ জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতি থাকবে সক্রিয় ও কঠোর। এছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সার্বক্ষণিক মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তদারকি করবেন।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও ভোটগ্রহণে নিয়োজিত প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের বুধবার সকাল থেকে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে নিজ নিজ কেন্দ্রে অবস্থান করতে দেখা গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে সিসি ক্যামেরাসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে ভোটের পরিবেশ কেমন থাকবে, সে দিকেই এখন সবার দৃষ্টি। প্রার্থীদের সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে গত মঙ্গলবার। এ আসনে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলার ২৩টি ইউনিয়ন মিলিয়ে মোট ২৬৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। মোট ভোটার সংখ্যা ৫,০২,২২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,৫৩,৯৮৪ জন, নারী ভোটার ২,৪৮,২৩৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন—নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই জানা গেছে।

দীর্ঘ ১৮ দিন প্রচার-প্রচারণায় প্রার্থীরা নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন চূড়ান্ত ফলাফলের অপেক্ষা। সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে ভোটের মূল লড়াই হবে তিনজন প্রার্থীর মধ্যে।

এর মধ্যে বিএনপি থেকে মনোনয়নের দাবিদার ছিলেন দুইজন। তাঁরা হলেন—বিএনপির কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী আলাউদ্দিন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ‘গরিবের ডাক্তার’ খ্যাত ডা. শহিদুল আলম। এর মধ্যে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষে মনোনয়ন পান কাজী আলাউদ্দিন।

ডা. শহিদুল আলম বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়ায় কালিগঞ্জ-আশাশুনি উপজেলার মানুষ ফুঁসে ওঠে। তাঁর মনোনয়নের দাবিতে হাজার হাজার দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ টানা ১৭ দিন একনাগাড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন ও আন্দোলন চালিয়ে যায়। বিষয়টি নজরে এলে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক জিয়ার আশ্বাসে আন্দোলন থেমে গেলেও মনোনয়নে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

এ কারণে সাধারণ জনতার সমর্থন ও চাপের মুখে ডা. শহিদুল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামেন। এর জেরে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এই বহিষ্কারে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ, অসহায় গরিব, ভ্যানচালক ও রিকশাচালকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমের পক্ষে মাঠে নামেন। ফুটবল প্রতীক নিয়ে দুই উপজেলাজুড়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে তাঁকে সাধারণ জনগণের প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

ডা. শহিদুল আলম বিএনপির রাজনীতির কারণে সরকারি চাকরি ছেড়ে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সাতক্ষীরা অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন। এ কারণেই তিনি সাধারণ ও গরিব মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।

বিভিন্ন নির্বাচনী সভায় তিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষা, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা গড়ার পাশাপাশি নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিশ্রুতি দেন।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০৫ সালে সরাসরি বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনিও নিজেকে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে তুলে ধরে বিভিন্ন উঠান বৈঠক, সভা ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এবং শতভাগ জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তবে বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী ডা. শহিদুল আলমের সমর্থক হওয়ায় বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা তাঁর পক্ষেই সক্রিয় থাকেন।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আগরদাঁড়ি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাসার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে তিনিও ব্যাপক প্রচার চালিয়ে শতভাগ জয়ের আশা প্রকাশ করেছেন।

জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আলীপ এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা আওয়েস কুরুনি প্রচারে তেমন সক্রিয় না থাকায় তাঁদের তেমন উপস্থিতি চোখে পড়েনি।

অন্যদিকে মাইনোরিটি দলের প্রার্থী রুবেল স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমকে সমর্থন জানিয়ে তাঁর বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অংশ নেন। জাতীয় পার্টির একাধিক নেতাও ফুটবল প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ায় সমর্থন বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় তাদের ভোটব্যাঙ্ক কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘু ভোট যে প্রার্থী নিজের পক্ষে নিতে পারবে, জয়ের সম্ভাবনা তারই বেশি।

সবশেষে বৃহস্পতিবারের ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষ হওয়ার পরই জানা যাবে—কে পরবে সেই কাঙ্ক্ষিত বিজয়ের মালা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ধানের শীষ ও ফুটবলের লড়াইয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনে সুবিধাজনক অবস্থানে জামায়াত

ধানের শীষ ও ফুটবলের লড়াইয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনে সুবিধাজনক অবস্থানে জামায়াত

Update Time : ০৫:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। রাত পোহালেই জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষিত ভোট। আর এই ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর অবস্থান। এ জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতি থাকবে সক্রিয় ও কঠোর। এছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সার্বক্ষণিক মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তদারকি করবেন।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও ভোটগ্রহণে নিয়োজিত প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের বুধবার সকাল থেকে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে নিজ নিজ কেন্দ্রে অবস্থান করতে দেখা গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে সিসি ক্যামেরাসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে ভোটের পরিবেশ কেমন থাকবে, সে দিকেই এখন সবার দৃষ্টি। প্রার্থীদের সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে গত মঙ্গলবার। এ আসনে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলার ২৩টি ইউনিয়ন মিলিয়ে মোট ২৬৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। মোট ভোটার সংখ্যা ৫,০২,২২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,৫৩,৯৮৪ জন, নারী ভোটার ২,৪৮,২৩৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন—নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই জানা গেছে।

দীর্ঘ ১৮ দিন প্রচার-প্রচারণায় প্রার্থীরা নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন চূড়ান্ত ফলাফলের অপেক্ষা। সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে ভোটের মূল লড়াই হবে তিনজন প্রার্থীর মধ্যে।

এর মধ্যে বিএনপি থেকে মনোনয়নের দাবিদার ছিলেন দুইজন। তাঁরা হলেন—বিএনপির কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী আলাউদ্দিন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ‘গরিবের ডাক্তার’ খ্যাত ডা. শহিদুল আলম। এর মধ্যে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষে মনোনয়ন পান কাজী আলাউদ্দিন।

ডা. শহিদুল আলম বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়ায় কালিগঞ্জ-আশাশুনি উপজেলার মানুষ ফুঁসে ওঠে। তাঁর মনোনয়নের দাবিতে হাজার হাজার দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ টানা ১৭ দিন একনাগাড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন ও আন্দোলন চালিয়ে যায়। বিষয়টি নজরে এলে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক জিয়ার আশ্বাসে আন্দোলন থেমে গেলেও মনোনয়নে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

এ কারণে সাধারণ জনতার সমর্থন ও চাপের মুখে ডা. শহিদুল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামেন। এর জেরে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এই বহিষ্কারে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ, অসহায় গরিব, ভ্যানচালক ও রিকশাচালকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমের পক্ষে মাঠে নামেন। ফুটবল প্রতীক নিয়ে দুই উপজেলাজুড়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে তাঁকে সাধারণ জনগণের প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

ডা. শহিদুল আলম বিএনপির রাজনীতির কারণে সরকারি চাকরি ছেড়ে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সাতক্ষীরা অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন। এ কারণেই তিনি সাধারণ ও গরিব মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।

বিভিন্ন নির্বাচনী সভায় তিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষা, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা গড়ার পাশাপাশি নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিশ্রুতি দেন।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০৫ সালে সরাসরি বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনিও নিজেকে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে তুলে ধরে বিভিন্ন উঠান বৈঠক, সভা ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এবং শতভাগ জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তবে বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী ডা. শহিদুল আলমের সমর্থক হওয়ায় বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা তাঁর পক্ষেই সক্রিয় থাকেন।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আগরদাঁড়ি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাসার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে তিনিও ব্যাপক প্রচার চালিয়ে শতভাগ জয়ের আশা প্রকাশ করেছেন।

জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আলীপ এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা আওয়েস কুরুনি প্রচারে তেমন সক্রিয় না থাকায় তাঁদের তেমন উপস্থিতি চোখে পড়েনি।

অন্যদিকে মাইনোরিটি দলের প্রার্থী রুবেল স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমকে সমর্থন জানিয়ে তাঁর বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অংশ নেন। জাতীয় পার্টির একাধিক নেতাও ফুটবল প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ায় সমর্থন বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় তাদের ভোটব্যাঙ্ক কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘু ভোট যে প্রার্থী নিজের পক্ষে নিতে পারবে, জয়ের সম্ভাবনা তারই বেশি।

সবশেষে বৃহস্পতিবারের ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষ হওয়ার পরই জানা যাবে—কে পরবে সেই কাঙ্ক্ষিত বিজয়ের মালা।