০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়া খালের পুনঃ খনন স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩০০৬ বার পঠিত হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের রাবার ড্যামের আওতাধীন প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন হয়েছে। কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় এমপি কাজল নিজ হাতে কোদাল নিয়ে খনন কাজে অংশগ্রহণ করেন, যা উপস্থিত স্থানীয়দের মাঝে উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘জিয়া খালের পুনঃখননের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে এবং কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।’ তিনি আরো জানান, সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রকল্প স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
খাল পুনঃখনন কার্যক্রমকে ঘিরে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। তাদের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের পানি সংকট ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কৃষি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা, খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম ধাপে ৫৪টি জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করা হয়েছিল।
পোকখালী রাবার ড্যামের সভাপতি আজিজুল হক রুবেলের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু শুক্কুর, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর তাজ জনি, ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম, সাবেক মেম্বার মোজাম্মেল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও ছিলেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণে সাইফুল হাসানকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ HSC-৯৫ ব্যাচের ফুলেল শুভেচ্ছা

জিয়া খালের পুনঃ খনন স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে

Update Time : ০৯:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের রাবার ড্যামের আওতাধীন প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন হয়েছে। কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় এমপি কাজল নিজ হাতে কোদাল নিয়ে খনন কাজে অংশগ্রহণ করেন, যা উপস্থিত স্থানীয়দের মাঝে উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘জিয়া খালের পুনঃখননের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে এবং কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।’ তিনি আরো জানান, সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রকল্প স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
খাল পুনঃখনন কার্যক্রমকে ঘিরে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। তাদের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের পানি সংকট ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কৃষি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা, খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম ধাপে ৫৪টি জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করা হয়েছিল।
পোকখালী রাবার ড্যামের সভাপতি আজিজুল হক রুবেলের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু শুক্কুর, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর তাজ জনি, ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম, সাবেক মেম্বার মোজাম্মেল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও ছিলেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা।