০২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরের মিঠাপুকুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার-২

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩০২৭ বার পঠিত হয়েছে

আবুল হোসেন বাবলুঃ

রংপুরের মিঠাপুকুরে চাঞ্চল্যকর নুরুজ্জামান হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগরীর মিরপুর এলাকা থেকে উল্লেখিত মামলার পলাতক প্রধান আসামীসহ দুইনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব-১৩ ও র‍্যাব-৪ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল।

গ্রেফতারকৃতরা, রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানাধীন শালমারা লতিফপুর গ্রামের মহুবার রহমান এর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৪) এবং একই থানাধীন ইকবালপুর গ্রামের আবুল কালাম এর ছেলে মোছন মিয়া (৫০)।

​বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মিঠাপুকুর থানার অন্তর্ভুক্ত ইকবালপুর গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে এক নৃশংস হামলার শিকার হন নুরুজ্জামান। আসামিরা পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নুরুজ্জামান এর মাকে শ্লীলতাহানি ও মারধর করে। ​মাকে বাঁচাতে নুরুজ্জামান এগিয়ে গেলে আসামিরা তাকেও এলোপাথাড়ি মারধরসহ অত্যন্ত নৃশংসভাবে তার অণ্ডকোষে সজোরে লাথি মেরে গুরুতর আহত করে। ওইদিনই বিকেলে মিঠাপুকুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুজ্জামান মারা যান।

​এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ১২, তারিখ- ০৯/০২/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা- ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৫৪/৩০২/১৪৯/১১৪ পেনাল কোড,১৮৬০। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিল। থানায় মামলার প্রেক্ষিতে আসামি গ্রেফতারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মিরপুর থানাধীন ঈদগাহ মাঠ ক্রসিং এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ​গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

খোয়া যাওয়া ২৬টি মোবাইল প্রকৃত মালিকদেরকে বুঝিয়ে দিলো রংপুর জেলা পুলিশ

রংপুরের মিঠাপুকুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার-২

Update Time : ০৯:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আবুল হোসেন বাবলুঃ

রংপুরের মিঠাপুকুরে চাঞ্চল্যকর নুরুজ্জামান হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগরীর মিরপুর এলাকা থেকে উল্লেখিত মামলার পলাতক প্রধান আসামীসহ দুইনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব-১৩ ও র‍্যাব-৪ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল।

গ্রেফতারকৃতরা, রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানাধীন শালমারা লতিফপুর গ্রামের মহুবার রহমান এর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৪) এবং একই থানাধীন ইকবালপুর গ্রামের আবুল কালাম এর ছেলে মোছন মিয়া (৫০)।

​বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মিঠাপুকুর থানার অন্তর্ভুক্ত ইকবালপুর গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে এক নৃশংস হামলার শিকার হন নুরুজ্জামান। আসামিরা পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নুরুজ্জামান এর মাকে শ্লীলতাহানি ও মারধর করে। ​মাকে বাঁচাতে নুরুজ্জামান এগিয়ে গেলে আসামিরা তাকেও এলোপাথাড়ি মারধরসহ অত্যন্ত নৃশংসভাবে তার অণ্ডকোষে সজোরে লাথি মেরে গুরুতর আহত করে। ওইদিনই বিকেলে মিঠাপুকুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুজ্জামান মারা যান।

​এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ১২, তারিখ- ০৯/০২/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা- ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৫৪/৩০২/১৪৯/১১৪ পেনাল কোড,১৮৬০। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিল। থানায় মামলার প্রেক্ষিতে আসামি গ্রেফতারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মিরপুর থানাধীন ঈদগাহ মাঠ ক্রসিং এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স, ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ​গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।