০২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকের সান্নিধ্যে ধর্ষিত যুবতী আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৩০২৬ বার পঠিত হয়েছে

আবুল হোসেন বাবলুঃ

ফেবুর সান্নিধ্যে ধর্ষিত যুবতী থানায় মামলা অভিযুক্ত আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার। রংপুর জেলার পীরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলার প্রেক্ষিতে র‌্যাবের যৌথ অভিযানে জয়পু্রহাট থেকে আসামি গ্রেফতার।

বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত (২০) এর ২০২২ সালে ফেসবুকের সান্নিধ্যে পরিচয় হয় প্রমিলা (২২) নামের (ছদ্মনাম) মেটির সাথে। পরস্পর দীর্ঘদিন ধরে মোবাইলে কথাবার্তার একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। গড়ে উঠে সৈকত ও প্রমিলার অন্তরঙ্গ সক্ষতা। উভয়ই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সেই সুবাদে সৈকত তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। গত ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুরে শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত প্রমিলার বাড়ীতে প্রবেশ করে মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

কয়েকদিন পর প্রমিলা সৈকতকে বিয়ের কথা বললে সে এড়িয়ে যায়। পুনরায় শারীরিক সর্ম্পক করার প্রস্তাব দেয়। প্রমিলা এতে রাজি না হলে সৈকত গোপনে ধারণ করা অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দিবে মর্মে হুমকি দেয়। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রমিলা নিজে বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৫, তাং ১৭/০৩/২৬ ইং ধারা: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ৯ (খ) তৎসহ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২৫(২)/(৩)।

মামলার পর থেকে শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত আত্মগোপনে ছিলো। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে থানায় মামলা রুজুর প্রেক্ষিতে আসামি গ্রেফতারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৩ সিপিএসসি রংপুর এবং র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ জয়পুরহাট এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ২৯ মার্চ বিকেলে জয়পু্রহাট জেলার পাঁচবিবি থানার অন্তর্ভুক্ত বাগজানা ইউনিয়নের ভিপমপুর গ্রামস্থ জনৈক খলিলুর রহমানের ইট ভাটার সামনে অভিযান চালিয়ে শিমিয়ন হাঁসদা সৈকতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার অন্তর্ভুক্ত ভিমশহর সোনাপুর গ্রামের
সুরেন হাসদার ছেলে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

খোয়া যাওয়া ২৬টি মোবাইল প্রকৃত মালিকদেরকে বুঝিয়ে দিলো রংপুর জেলা পুলিশ

ফেসবুকের সান্নিধ্যে ধর্ষিত যুবতী আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

Update Time : ০৮:৩৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

আবুল হোসেন বাবলুঃ

ফেবুর সান্নিধ্যে ধর্ষিত যুবতী থানায় মামলা অভিযুক্ত আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার। রংপুর জেলার পীরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলার প্রেক্ষিতে র‌্যাবের যৌথ অভিযানে জয়পু্রহাট থেকে আসামি গ্রেফতার।

বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত (২০) এর ২০২২ সালে ফেসবুকের সান্নিধ্যে পরিচয় হয় প্রমিলা (২২) নামের (ছদ্মনাম) মেটির সাথে। পরস্পর দীর্ঘদিন ধরে মোবাইলে কথাবার্তার একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। গড়ে উঠে সৈকত ও প্রমিলার অন্তরঙ্গ সক্ষতা। উভয়ই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সেই সুবাদে সৈকত তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। গত ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ দুপুরে শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত প্রমিলার বাড়ীতে প্রবেশ করে মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

কয়েকদিন পর প্রমিলা সৈকতকে বিয়ের কথা বললে সে এড়িয়ে যায়। পুনরায় শারীরিক সর্ম্পক করার প্রস্তাব দেয়। প্রমিলা এতে রাজি না হলে সৈকত গোপনে ধারণ করা অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দিবে মর্মে হুমকি দেয়। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রমিলা নিজে বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৫, তাং ১৭/০৩/২৬ ইং ধারা: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ৯ (খ) তৎসহ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২৫(২)/(৩)।

মামলার পর থেকে শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত আত্মগোপনে ছিলো। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে থানায় মামলা রুজুর প্রেক্ষিতে আসামি গ্রেফতারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৩ সিপিএসসি রংপুর এবং র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ জয়পুরহাট এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ২৯ মার্চ বিকেলে জয়পু্রহাট জেলার পাঁচবিবি থানার অন্তর্ভুক্ত বাগজানা ইউনিয়নের ভিপমপুর গ্রামস্থ জনৈক খলিলুর রহমানের ইট ভাটার সামনে অভিযান চালিয়ে শিমিয়ন হাঁসদা সৈকতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার অন্তর্ভুক্ত ভিমশহর সোনাপুর গ্রামের
সুরেন হাসদার ছেলে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।