• বন্ধের কারণ: ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় রফতানিকারকদের পাথরের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন (প্রতি টনে $200 থেকে $300 ক্ষতি)। এই অতিরিক্ত দামের বোঝা এড়াতে আমদানিকারকরা পাথর আমদানি বন্ধ রেখেছেন।

  • রাজস্ব ক্ষতি ও শ্রমিক দুর্গতি: দীর্ঘ ১৪ দিনের অচলাবস্থায় বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের অর্থ ও সময় অপচয় হচ্ছে, এবং সরকার প্রচুর রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দিনমজুর শ্রমিক তাদের দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, বন্দরের কাজ বন্ধ থাকায় তারা পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

  • স্থলবন্দরের তথ্য: ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে সোনাহাট বন্দর যাত্রা শুরু করে। চালুর পরপরই এটি ব্যবসায়ীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

  • বর্তমান পরিস্থিতি: সোনাহাট স্থলবন্দর আমদানি ও রফতানিকারক ব্যবসায়ী নেতা আবুল হোসেন জানিয়েছেন, তারা পাথরের একটি যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতিরিক্ত দাম কমানোর এই দাবি মেনে নিলে আগামী রবিবার বন্দরে পাথর আমদানি পুনরায় চালু হবে।

  • কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: সোনাহাট স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা বদরুজ্জামান এবং সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ আমিনুল ইসলাম উভয়েই বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে দু’দেশের ব্যবসায়ীরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছেন। তারা আশা করছেন, দুই-তিন দিনের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে