মোঃ শাহজাহান বাশার,

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত “সরকারি খাল দখল করে ভবন নির্মাণ যুবলীগ নেতার” শীর্ষক সংবাদের প্রতি দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি খাল ও খাস জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ আনা হয়। তবে সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বলে দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিবাদলিপিতে মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, প্রতিবেদনে যে জমির বিষয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে সেই জমির বৈধ মালিক মফিজুল ইসলাম। জমিটি বিএস জরিপ, সরকারি রেকর্ড এবং খাজনা-খারিজসহ সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে বৈধভাবে তার নামে হালনাগাদ রয়েছে। ফলে সরকারি খাল বা খাস জমি দখলের অভিযোগের কোনো বাস্তবতা নেই বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তার এই সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রকাশিত সংবাদটি সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিবাদে তথাকথিত ‘টর্চার সেল’ পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মীদের নির্যাতন এবং বাজারের পাবলিক টয়লেট ভেঙে ভবন নির্মাণের অভিযোগও সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

বিল্লাল হোসেন বলেন, স্থানীয় উন্নয়ন, জনসেবা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান এলাকাবাসীর কাছে সুপরিচিত। অথচ একটি মহল রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই, তদন্ত এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতামত গ্রহণের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের একপেশে ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।