র্যাব-১৩’র পৃথক তিনটি অভিযানে নেশা জাতীয় ফেয়ারডিল, এস্কাফ ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দসহ পাঁচ মাদক কারবারি গ্রেফতার।
র্যাব-১৩’র অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাদক নির্মূলে র্যাব-১৩ নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। র্যাবের চলমান এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১৩ সদর কোম্পানী রংপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা থানাধীন উত্তর জাওরানী বড়দলপাড়া গ্রামের কুখ্যাত মাদক কারবারি নারায়ন দাসের বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এ সময় ধৃত আসামীদের দেহ তল্লাশী করে তাদের পরিহিত জ্যাকেটের পকেট থেকে ৭ বোতল ESKuf জব্দ সহ ২ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানাধীন উত্তর জাওরানী গ্রামের প্রফুল্ল বর্মন এর ছেলে আপন চন্দ্র রায় (২৬) এবং একই গ্রামের মৃত শুরিন চন্দ্র দাস এর ছেলে নারায়ন চন্দ্র দাস (৪২)।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারী বিকেলে র্যাব-১৩ সিপিএসসি এবং র্যাব-১৩ সিপিসি-৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল পৃথক একটি অভিযান চালায় গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাধীন রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের পলাশবাড়ী পৌরসভাস্থ নতুন ভবনের সামনে। চেকপোস্ট অভিযানকালে ধৃত আসামীদের ব্যবহৃত ২টি মোটর সাইকেল তল্লাশী করে বিশেষ কায়দায় বস্তার মধ্যে রক্ষিত ৯৮ বোতল ফেয়ারডিল জব্দসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল দুটি জব্দ করেছে র্যাব। গ্রেফতারকৃতরা নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানাধীন ভাবোনচোর গ্রামের জাফর আলীর ছেলে দুলু মিয়া (৩৬) এবং একই গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে নুরুজ্জামান (৩৩)।
অপরদিকে র্যাব-১৩ সিপিসি-২ নীলফামারী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার অন্তর্ভুক্ত কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ মাঝাপাড়া গ্রামস্থ আহম্মেদ হার্ডবোর্ড ফ্যাক্টরির পূর্ব পার্শ্বে ওয়াপদার মোড় টু শুটকির মোড় গামী সড়কের মামা ক্যান্টিনের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার(কামারপুকুর)ধলাগাছ পশ্চিম পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মোকছেদুল ইসলাম @ পারভেজ (৪৯)। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক জব্দকৃত আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।