র্যাব-১৩’র অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারী মধ্য রাতে র্যাব-১৩ রংপুর সদর কোম্পানীর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন কাকিনা ইউপির রুদ্রেশ্বর গ্রামস্থ কাকিনা হতে মহিপুরগামী পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশীকালে ৩৪১ বোতল এস্কাফ ৯৯ বোতল ফেয়ারডিল, ২ বোতল এস্কাফ ডিএক্স সহ ১টি প্রাইভেটকার জব্দ এবং ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানাধীন বেলাইচন্ডী সোনাপুকুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে জাহেনুর ইসলাম জীবন (২৪) এবং নীলফামারী জেলার
সৈয়দপুর থানাধীন কুলী মহল্লা নতুন বাবুপাড়া এলাকার তাফানীর ছেলে রাজু (৪০)।
এর আগে (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে পৃথক একটি অভিযানে র্যাব-১৩ সিপিসি-৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট থানাধীন মগলিশপুর গ্রামে চেকপোষ্ট স্থাপন করে মোটসাইকেল তল্লাশি করে মোটসাইকেলে ঝুলানো একটি ব্যাগের মধ্যে রক্ষিত ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং মোটসাইকেল জব্দসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত মাদক কারবারি নীলফামারী জেলার ডিমলা থানাধীন কাকিনা চাপানী গ্রামের ফজলু হক এর ছেলে সুজন ইসলাম (২৭)।
একই তারিখ বিকেলে পৃথক অন্য একটি অভিযানে র্যাব-১৩ সদর কোম্পানীর একটি আভিযানিক দল নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন কয়াগোলাহাট পশ্চিমপাড়া গ্রামের মাদক কারবারি সুজনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার বাড়ি থেকে ১৫.৭ কেজি গাঁজা জব্দসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃতরা নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন কয়াগোলাহাট পশ্চিমপাড়া মহল্লার জহির উদ্দিন এর ছেলে সুজন ইসলাম (২২) এবং তার মা ছবিনুর বেগম (৪৮)।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, ধৃত আসামিরা রংপুর বিভাগের রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও
লালমনিরহাটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কৌশলে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী প্রযোজ্য ধারায় পৃথক পৃথক মামলা দায়ের পূর্বক জব্দকৃত আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।