ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-১ আসনের গঙ্গাচড়া (সিটি কর্পোরেশন ১ থেকে ৯ ওয়ার্ড) তিন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। এ আসনে মোট পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ফলাফল ঘোষণা করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রংপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ২২৭ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৭টি, যা মোট ভোটারের ৬০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে বৈধ ভোট ২ লাখ ২৩ হাজার ১৪৪ এবং বাতিল ভোট ৫ হাজার ৩১৩টি।
নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী, জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীদের মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ (এক-অষ্টমাংশ) পেতে হয়। সে হিসেবে প্রয়োজনীয় ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৮৯৩।
প্রকাশিত ফলাফলে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর আহসানুল আরেফিন পেয়েছেন ৮৮২ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর এ টি এম গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ৫ হাজার ২২৪ ভোট এবং ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ-এর মোহাম্মদ আনাস পেয়েছেন ১ হাজার ১০৩ ভোট। নির্ধারিত ভোটসংখ্যার চেয়ে কম ভোট পাওয়ায় উল্লেখিত তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী রায়হান সিরাজী ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র মোকাররম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৩১ ভোট। সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে রায়হান সিরাজীকে বিজয়ী ঘোষণা ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে রংপুর-১ আসনের নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।