আবুল হোসেন বাবলুঃ
রংপুরে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁস চক্রের আরও ৫ জন সক্রিয় সদস্য আটক। এর আগে বৃহস্পতিবার ২ জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
শুক্রবার ৯ জানুয়ারি ২০২৬ রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকালের অভিযানের ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। এরই ফলশ্রুতিতে রংপুর শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁস চক্রের ৫ জন সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয় ডিবি পুলিশ।
এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস ১৫টি, স্মার্টফোন ৫টি, ফিচার ফোন ২টি, সিম কার্ড ১৩টি, ব্লু-টুথ এয়ারপড ৭টি, এয়ারপড ব্যাটারি ১৯টি, এয়ারপড প্লেসমেন্টের জন্য ব্যবহৃত ফরসেপ ১টি, ১০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্টাম্প ৬টি, স্বাক্ষরিত ফাঁকা চেক এর পাতা ২টি, এবং তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ২টি।
আটককৃতরা হলেন, রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানাধীন রামেশ্বরপুর গ্রামের মৃত রফিক মন্ডল এর ছেলে
সারোয়ার ইসলাম (৩০), পীরগাছা থানাধীন দেউতি বাজার এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে আল আমিন মোহাম্মদ @ আহাদ (৩৪), পীরগঞ্জ থানাধীন আসমতপুর গ্রামের মৃত খাজা নাজিম উদ্দিন এর ছেলে মেজবাহ হামিদুল্লাহ প্রধান (২৯), পীরগঞ্জ থানাধীন কাদিরাবাদ গ্রামের এনামুল হক এর ছেলে রাশেদুল ইসলাম রকি (২৮) এবং পাবনা জেলার চাটমোহর থানার অন্তর্ভুক্ত দীঘল গ্রামের মৃত বারেক আলীর মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস বীথি (২৬)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে এসব ডিভাইস ও সরঞ্জাম তারা সংগ্রহ করেছিল। রংপুর মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাসহ সকল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সদা তৎপর রয়েছে।