মো. শাহজাহান বাশার
বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘায়ু এবং সম্পূর্ণ রোগমুক্তি কামনায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর আখন্দ বাড়ি জামে মসজিদে আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে এক বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে দেশনেত্রীর শারীরিক অসুস্থতার বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ দোয়া মাহফিল স্থানীয়ভাবে ব্যাপক গুরুত্ব অর্জন করেছে।
মসজিদের সম্মানিত খতিব হযরত মাওলানা রায়হান হোসেন জালালীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে দেশ, জাতি ও জনগণের কল্যাণ কামনার পাশাপাশি বিশেষভাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করা হয়। মোনাজাতে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ বিরাজ করে।
দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন বুড়িচং উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য ও কুমিল্লা জেলা জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান আখন্দ। তাঁর সাথে ছিলেন বুড়িচং উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি মো. বাহার মিয়া এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. ইউসুফ রানা। আয়োজকরা জানান, দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় তারা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দোয়া ও মিলাদ আয়োজন করে আসছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—যুবদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন তুহিন,বাকশিমুল ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি এমদাদ হোসেন,৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম মিয়া,ছাত্রদল নেতা সজল আখন্দ,
এছাড়াও ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া মাহফিলে অংশ নেন স্থানীয় মুসল্লি, সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষক, তরুণ সমাজ, দরিদ্র ও অসহায় শ্রেণির মানুষসহ নানা বয়স ও পেশার মানুষ। হাফেজিয়া মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দোয়া মাহফিলকে আরও মানবিক ও ধর্মীয় আবহে পরিপূর্ণ করে তোলে।
মোনাজাতে আল্লাহর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক উন্নতি, রোগমুক্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। এ ছাড়া দেশের সার্বিক শান্তি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জনগণের কল্যাণের জন্যও আল্লাহর রহমত প্রার্থনা করা হয়।
দোয়া মাহফিল শেষে আয়োজকরা বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন; তিনি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একটি প্রতীক। তাঁর সুস্থতা কামনা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
মাহফিল শেষে উপস্থিতদের মাঝে শান্তি ও সাম্যের বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।