মোঃ শাহজাহান বাশার
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে কলেজ থেকে ফেরার পথে তুহিনকে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র অপহরণ করে। পরে পরিকল্পিতভাবে তাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। এ ঘটনার পরপরই তুহিনের মা স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করেন।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পাঁচ দিন পার হলেও বুড়িচং থানার ওসি এখনো পর্যন্ত কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। এতে এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত তুহিনের পরিবারের দাবি, আসামীদের সঙ্গে থানার কিছু কর্মকর্তার গোপন যোগসাজশ থাকতে পারে। তারা দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—“ওসি সাহেব পাঁচ দিনেও কেন আসামীদের ধরতে পারলেন না?”
তাদের দাবি, পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তা ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তুহিন হত্যার ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে লিখছেন, “সন্ত্রাসীদের সাথে আপোষ নয়, আমরা তুহিন হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
অন্যদিকে, ওসি সাহেবের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁরা জানিয়েছেন, “পুলিশ যদি অপরাধীদের সঙ্গে আপোষ করে, তাহলে আমরা বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরব।”
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সদর দপ্তরের কাছে এলাকাবাসীর দাবি—বুড়িচং কলেজের ছাত্র তুহিন হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।